ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুটি বিবদমান রাষ্ট্র। এ দুটি রাষ্ট্রের সংঘাত আরব-ইসরায়েল সংঘাত নামে পরিচিত। এ সংঘাতে দেশি-বিদেশি অনেক রাষ্ট্র জড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েল মনে করে ফিলিস্তিন। সংগঠন 'হামাস' একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। অপরপক্ষে ফিলিস্তিন মনে করে ইসরায়েল পৃথিবীর বৃহত্তম সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। এ দুই রাষ্ট্রের দ্বন্দ্ব ভবিষ্যতে বড় কোনো সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্ববাসী। আতঙ্কিত।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

Cold War শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন বার্নাড বারুচ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ঘোষিত অর্থনৈতিক সংস্কারনীতিই পেরেস্ত্রৈকা (Perestroika) নামে খ্যাত। তিনি বনেদি সমাজতান্ত্রিক ঘরানা থেকে বেরিয়ে এসে তার গ্লাসনস্ত বা খোলানীতির সঙ্গে সংগতি রেখে সোভিয়েত ইউনিয়নে উদারনৈতিক অর্থনীতি প্রবর্তনে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে ১৯৮৭ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপীয় কমিউনিস্ট দেশসমূহে নয়া অর্থনৈতিক হাওয়া বইতে শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি স্বীয় অস্তিত্ব বিলুপ্ত করে পূর্ব জার্মানির সঙ্গে একীভূত হয়ে যায় এবং ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে বৃহৎ সংঘাতের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে তা হলো স্নায়ুযুদ্ধ। নিচে পাঠ্যবইয়ের আলোকে স্নায়ুযুদ্ধের কারণসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো-

সমাজতন্ত্র প্রসারের ভীতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেবেছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত এবং অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত ইউরোপ ধীরে ধীরে সাম্যবাদের দিকে ধাবিত হতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার প্রতি কঠোর নীতি গ্রহণ করে। ফলে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব তৈরি হয়।
গ্রিসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব: ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্যে গ্রিসের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে হস্তক্ষেপ করলে রাশিয়া বিরূপ মনোভাব পোষণ করে। ফলে স্নায়ুযুদ্ধের অবস্থা সৃষ্টি হয়।
ইরান সমস্যা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনী ইরান দখল করে। তখন উত্তর ইরান সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে ছিল। কথা ছিল ছয় মাসের মধ্যে মিত্রশক্তি ইরান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করবে। কিন্তু তা না হওয়ায় দুই শক্তির মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
জার্মানির কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাশিয়া জার্মানির কাছে ১০,০০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সন্দেহের ঢেউ জাগতে থাকে।
উপসাগরীয় বিরোধ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি শক্তিকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও ব্রিটেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধে। এটি স্নায়ুযুদ্ধকে প্রসারিত করেছিল। এছাড়াও সোভিয়েত-তুরস্ক দ্বন্দ্ব, আণবিক বোমা সমস্যা প্রভৃতি স্নায়ুযুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করেছিল।
সুতরাং বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণেই স্নায়ুযুদ্ধের সৃষ্টি হয়েছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

দুটি বৃহৎ রাষ্ট্র অর্থাৎ সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণেই বিশ্বে স্নায়ুযুদ্ধের সৃষ্টি হয়েছিল। আমার মতে, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

ষোড়শ শতাব্দীতে ভৌগোলিক আবিষ্কার এবং অষ্টাদশ শতাব্দীতে শিল্প বিপ্লবের ফলে বিশ্বে ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিকাশ ঘটতে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু বিংশ শতকের প্রথম দশকে লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় মার্কসবাদীয় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এসময় রাশিয়া অন্যতম পরাশক্তি হওয়ায় তার প্রভাবে অন্যান্য দেশে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন শুরু হয়। ফলে ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্র যেমন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সাথে রাশিয়ার দূরত্ব বাড়তে থাকে। কিন্তু ইতিমধ্যে জার্মানিতে নাৎসিবাদ, ইতালিতে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটলে সমাজতন্ত্র ও ধনতন্ত্র পার্থক্য ভুলে গিয়ে রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ঐক্যবদ্ধ হয়ে নাৎসিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে সমাজতন্ত্র ও ধনতন্ত্র দ্বন্দ্ব আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের বিকাশে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র শাঙ্কিত হয়ে পড়ে। ফলে একে অপরের বিরুদ্ধে অবরোধ চালু করে এবং যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ১৯৫৬ সালের ভিয়েতনাম যুদ্ধ, ১৯৬৫ সালে কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট, ১৯৭৯ সালে আফগান সংকট স্নায়ুযুদ্ধের ছায়ারূপ। অবশেষে ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মধ্যে দিয়ে সমাজতন্ত্র ও ধনতন্ত্রের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটে।
পরিশেষে বলা যায়, সমাজতন্ত্র ও ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মতাদর্শগত পার্থক্যই স্নায়ুযুদ্ধের মূল কারণ I

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
52

Related Question

View All
উত্তরঃ

মার্শাল পরিকল্পনা ও ট্রুম্যান তত্ত্বের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের পদক্ষেপ হলো বার্লিন অবরোধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর রাজধানী বার্লিনকে ৪ ভাগে ভাগ করে শাসন শুরু হয়।আমেরিকা, ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ড তাদের অধিকৃত পশ্চিম বার্লিনে সংযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নিলে রাশিয়ার স্ট্যালিন ক্ষুব্ধ হয়ে পশ্চিমের সাথে পূর্বের সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়। এ অবরোধ প্রায় ১১ মাস ধরে চলার পর স্ট্যালিন প্রত্যাহার করে নেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
132
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থানটি আমার পাঠ্যবইয়ের ন্যাটো এবং ওয়ারশ জোট গঠনের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে।

স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে শক্তির মহড়া দিতে এবং পুঁজিবাদী ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রসারের মাধ্যমে সমাজতন্ত্রকে প্রতিহত করতে ১৯৪৯ সালে ন্যাটো গঠিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সে সময় ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ন্যাটো সামরিক জোট। এ জোটের সব দেশ ছিল পুঁজিবাদের সমর্থক এবং সমাজতন্ত্রের বিরোধী। সামরিক দিক থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে চাপে রাখা এর মূল উদ্দেশ্য ছিল।

অপরদিকে, সামরিক ও অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে ন্যাটোর বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ওয়ারশ কোট গঠন
করে। প্রকৃতপক্ষে, ন্যাটোর কার্যাবলি চ্যালেঞ্জ করার জন্য ওয়ারশ জোট গঠিত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমূহের আত্মরক্ষামূলক প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করার জন্য ১৯৫৫ সালে এ জোট গঠিত হয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের যমুনা নদীর তীরবর্তী সালেমপুর ও মকসুদপুর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই গ্রামের সাথে পাঠ্যবইয়ের ন্যাটো ও ওয়ারশ জোটের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
76
উত্তরঃ

উক্ত অবস্থাটি অর্থাৎ স্নায়ুযুদ্ধ বিশ্বকে দুটি মেরুতে বিভক্ত করেছিল বলে আমি মনে করি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৭ সালে বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পায়। এরপর লেনিন ও স্ট্যালিনের দক্ষ নেতৃত্বে সাম্যবাদ শুধু রাশিয়ায় নয়, বিশ্বের অনেক দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। এজন্য সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে। অল্প সময়ে পার্শ্ববর্তী ১৫টি রাষ্ট্র নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়। এর পরিধি ক্রমেই বাড়তে থাকে। অপরদিকে, পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসমূহ নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই সাম্যবাদের গতিরোধ করতে গিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের জন্ম দেয়। স্নায়ুযুদ্ধ ধীরে ধীরে প্রকট আকার ধারণ করতে শুরু করে। এর ফলে Bipolar System প্রতিষ্ঠিত হয়। যার মূল ধারণা ছিল দ্বিমেরুকরণ। বৈশ্বিক রাজনীতিতে এ দ্বিমেরুকরণের প্রভাব বহু বছর ধরে বিদ্যমান থাকে।
সুতরাং বলা যায়, উক্ত বিষয়টি অর্থাৎ- স্নায়ুযুদ্ধ বিশ্বকে দুটি মেরুতে বিভক্ত করেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
91
উত্তরঃ

গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ মুক্তাবস্থা বা Open Air. ১৯৯০ সালে সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য যে মুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন, ইতিহাসে তাই গ্লাসনস্ত নামে পরিচিত। বিদ্যমান সোভিয়েত ইউনিয়ন থাকবে কিনা বা এর পতনের পক্ষে-বিপক্ষে মুক্ত আলোচনার লক্ষ্যে ঐতিহাসিক এ পদক্ষেপটি গৃহীত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
144
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews