উত্ত ঐক্যের অর্থাৎ মুক্তি কামনার প্রেক্ষাপট 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় সম্পূর্ণভাবে সার্থক হয়ে উঠেছে।
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির জন্য বাঙালির দীর্ঘ-সংগ্রামের ইতিহাস উঠে এসেছে। কবি বিভিন্ন অনুসঙ্গের মাধ্যমে শিকড়সন্ধানী মানুষের মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।
উদ্দীপকে নানা দিক বিবেচনায় কবি যুদ্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। সেখানে কবির সকল চাওয়ার সমন্বয়ে মুক্তি কামনার দিকটিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। এখানে কবি ভাবের বিস্তার, অনুষঙ্গের ব্যবহার এবং ধারাবাহিক নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে কবিতাংশটুকুতে তাঁর চাওয়াকে শিল্পরূপ দিয়েছেন।
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি মুক্ত জীবনের প্রত্যাশার প্রেক্ষাপট হিসেবে তুলে ধরেছেন বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে। সেখানে জাতির সংগ্রাম, বিজয় ও মানবিক উদ্ভাসনের অনিন্দ্য অনুষঙ্গগুলো মূর্ত হয়ে উঠেছে। কবি তাঁর একান্ত মুক্তির প্রত্যাশাকে পূর্বপুরুষের ইতিহাসের কথা উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, যা সংগত কারণেই হৃদয়স্পর্শী হয়ে উঠেছে। আলোচ্য উদ্দীপকে কবিতাংশের প্রেক্ষাপট উপস্থাপনায়ও কবি এমন দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন; এক্ষেত্রে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথাযথ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!