উক্ত সম্পদ হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। আর প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাচুর্যই দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়ক-এ বক্তব্যের সমর্থনে নিচে যুক্তি প্রদর্শন করা হলো-
১. প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহারের ফলে দেশে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ জুড়ে গ্যাসভিত্তিক অনেক শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে। সেখানে প্রচুর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এবং পণ্যের উৎপাদন আগের থেকে অনেক অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
২. এ সম্পদের ব্যবহারের ফলে জনগণের জীবনমান বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩. প্রাকৃতিক গ্যাসের যথোপযুক্ত ব্যবহারের ফলে শিল্পে অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। কারণ আজকে আমাদের দেশে অনেক শিল্পকারখানা প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। তাছাড়া বস্ত্র শিল্পে, কাগজ শিল্পে, সিমেন্ট শিল্পে, সার শিল্পে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ফলে শিল্পের প্রসার যেখানে ঘটে সেখানে জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নও জড়িত।
পরিশেষে বলা যায়, এ সম্পদের প্রাচুর্যই বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়ক।
Related Question
View Allপ্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।
প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।
মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।
বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।
যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!