উক্ত সামাজিক সমস্যা নিরসনে অর্থাৎ যৌতুক সমস্যা নিরসনে আমি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দিব।
এক্ষেত্রে অর্থাৎ যৌতুক সমস্যা নিরসনে আমার সুপারিশ হলো:
সামাজিকভাবে যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে ব্যাপক জনমত গড়ে তুলতে হবে যাতে জনগণ এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। সংবিধানে মহিলাদের অধিকার রক্ষার জন্যে পারিবারিক আইন, উত্তরাধিকার আইন, যৌতুক বিরোধী আইন, নারী নির্যাতন, আইন প্রণয়ন এবং সেগুলো বাস্তবায়নের যথাযথ ব্যবস্থা ও পদক্ষেপ নিতে হবে। মেয়েদেরকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে এবং তাদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরাঞ্চল সর্বত্র যৌতুক বিরোধী আন্দোলন জোরদার করে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। যারা যৌতুক দাবি করে তাদের বিয়েতে যোগদান থেকে বিরত থাকতে হবে। এদের সামাজিকভাবে সব কাজে প্রত্যাখান করতে হবে। নিজেরা তাই যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া থেকে বিরত থাকলে তা অন্যকেও উৎসাহিত করে। যৌতুক প্রথাকে সমূলে উৎপাটনের জন্যে - সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!