কোনো নতুন উদ্ভাবনী চিন্তা মাথায় রেখে যখন কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ তা বাস্তবায়নের প্রয়াস নেন তাকে উদ্যোগ বলে।
স্ব-উদ্যোগে নিজেই নিজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।
আত্মকর্মসংস্থান মূলত নিজস্ব উৎস বা ঋণ নিয়ে স্বল্প পুঁজির সংস্থান করে সম্পূর্ণ নিজস্ব চিন্তাধারা, জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে আত্মপ্রচেষ্টায় জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। তাই বলা যায়, জীবিকা অর্জনের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের প্রচেষ্টায় জীবিকা অর্জন করাই হলো আত্মকর্মসংস্থান।
উদ্দীপকে পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মি. শফিকের উদ্যোক্তার সৃজনশীল মানসিকতা এবং দূরদৃষ্টি গুণ ফুটে উঠেছে।
নতুন কিছু চিন্তা করার এবং তা নিয়ে একটি ধারণাকে দাঁড় করাতে পারার মতো ব্যক্তির মানসিক সামর্থ্যকে সৃজনশীল মানসিকতা বলে। তার এ সৃজনশীল মানসিকতা নতুন বাজার সৃষ্টি করতে পারে। আবার ভবিষ্যৎ সমস্যা ও সম্ভাবনা সঠিকভাবে চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করার সামর্থ্যই উদ্যোক্তার দূরদৃষ্টি প্রজ্ঞা বলে। একজন ব্যক্তি তার নতুন চিন্তার সাফল্য সম্ভাবনা যদি বুঝতে পারে তবে তার পক্ষে সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব।
উদ্দীপকে মি. শফিক যমুনা নদীর তীরে স্বল্পমূল্যে চল্লিশ একর জমি নিয়ে মনোরম পরিবেশে একটি পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও খেলার সামগ্রী দিয়ে স্পটটি সুন্দরভাবে সাজান। তিনি দূরদৃষ্টি দ্বারা নতুন সাফল্যের সম্ভাবনা দেখতে পান। তিনি আশাবাদী ছিলেন ভবিষ্যতে তার এ সৃজনশীল চিন্তা সাফল্য লাভ করবে। তাইতো দুই বছর পর তিনি তার পিকনিক স্পট থেকে লাভের পথ দেখতে পান। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মি. শফিকের উদ্যোক্তার সৃজনশীল মানসিকতা এবং দূরদৃষ্টি গুণ ফুটে উঠেছে।
যমুনা নদীর তীরে পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠা করা যথার্থ ছিল। যমুন নদীর তীরে নদী বহমান প্রাকৃতিক দৃশ্য, বিশুদ্ধ বাতাস, কোলাহলমুক্ত পরিবেশ যেকোনো মানুষকে আকর্ষণ করে। মানুষ সাধারণত বছরে একবার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পিকনিক করতে যায়। সেক্ষেত্রে তারা প্রাকৃতিক দৃশ্য, বিশুদ্ধ বাতাস, কোলাহলমুক্ত পরিবেশ এবং নতুন ধরনের আকর্ষণীয় স্থান পছন্দ করে। তাছাড়া পর্যাপ্ত খোলামেলা জায়গা এবং খেলাধুলার জন্য প্রশস্ত মাঠ চায়। এছাড়াও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সুলভ মূল্যে দর্শনীয় স্থান উপভোগ করতে চায়।
উদ্দীপকে মি. শফিক যমুনা নদীর তীরে স্বল্পমূল্যে চল্লিশ একর জমি নিয়ে মনোরম পরিবেশে একটি পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও খেলার সামগ্রী দিয়ে স্পটটি সুন্দরভাবে সাজান। জনপ্রতি ৫০ টাকা প্রবেশ ফি নির্ধারণ করেন। তিনি টেলিভিশনের চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। ফলে ধীরে ধীরে দর্শনার্থীর সমাগম বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পিকনিক স্পট থেকে আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে যমুনা নদীর তীরে পিকনিক স্পট প্রতিষ্ঠা করা যথার্থ ছিল।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!