লাউদ্দীপকে উল্লিখিত ঢাকা শহরটি প্রশাসনিক শহর। অন্যদিকে কর্ণফুলী নদীর তীরে গড়ে ওঠা শহরটি হলো চট্টগ্রাম। এটি একটি বাণিজ্যভিত্তিক শহর।
প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র হলো নগর। শাসনব্যবস্থার প্রয়োজনে সাধারণত কোনো কেন্দ্রীয় শহরকে রাজধানীর রূপ দেওয়া হয় এবং সেখানে পৌর বসতির প্রসার ঘটে। ঢাকা শহরটি এভাবে গড়ে উঠেছে। ঢাকা শহরের জনসংখ্যা ৫০ লক্ষের অধিক হওয়ায় শহরটি বর্তমানে মেগাসিটি হিসাবে পরিচিত।
অপরদিকে, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণ চট্টগ্রাম মূলত একটি বাণিজ্যিক নগর। নগরায়নের ধারায় ক্ষুদ্র বিনিময় কেন্দ্র সম্প্রসারিত হয়ে পৌর বসতিতে রূপান্তরিত হয়। বিনিময় কেন্দ্রভিত্তিক একটি বাজার সৃষ্টি হয়। এই সকল স্থানীয় বাজার বিভিন্ন দিক থেকে আগত পথের মিলনস্থানে গড়ে ওঠে। শহর ও নগর বিকাশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আজও অত্যন্ত ক্রিয়াশীল। কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম শহর এভাবেই গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সিংহ ভাগ এ নগরকেন্দ্রিক। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যেও এর অবদান অসামান্য। চট্টগ্রাম শহরের জনসংখ্যা ১০ লক্ষের বেশি কিন্তু ৫০ লক্ষের কম হওয়ায় এটি - মহানগরী নাম পরিচিতি লাভ করেছে।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!