আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যৌবনের নেতিবাচক ব্যর্থতার দীর্ঘশ্বাসের আশঙ্কা থাকলেও উদ্দীপকে সে আশঙ্কার কথা অনুপস্থিত।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যৌবনের ভালোমন্দ, ইতিবাচক-নেতিবাচক নানা সম্ভাবনা ও আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। এ বয়সে কানে আসে নানা ধরনের মন্ত্রণা। ভালোমন্দ নতুন নতুন তত্ত্ব ও ভাবধারার সঙ্গে পরিচিত হয়ে তাদের মন্দের দিকে ঝুঁকে যাওয়ার প্রবণতা থাকে এ বয়সে। সচেতন হয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে জীবন পরিচালনা করতে না পারলে বয়সটা কালো নেতিবাচক অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে।
উদ্দীপকে তারুণ্যের ইতিবাচক দিক প্রকাশ করা হয়েছে। তরুণরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম, ঝরনার মতো চঞ্চল, বিধাতার মতো নির্ভয় এবং প্রকৃতির মতো উচ্ছল। এরা জীবনের সব বাধা অতিক্রম করে প্রচন্ড সাহসের সাথে। এরা পরিশ্রমী ও কর্মনিষ্ঠ। তাই এদের বেদুইনের সাথে তুলনা করা হয়েছে। উদ্দীপকের কবি তারুণ্যের এ ইতিবাচক দিকগুলো প্রকাশ করেছেন।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যের ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি নেতিবাচক দিকও প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল তারুণ্যের ইতিবাচক দিকই প্রকাশ করা হয়েছে। তাই আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপক পর্যালোচনা করলে বোঝা যায়, কবিতায় তরুণ বয়সের কিছু নেতিবাচক আশঙ্কার কথা বলা থাকলেও উদ্দীপকে তা অনুপস্থিত।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!