ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের বিদ্রোহের দিকটি উদ্দীপকে উঠে এসেছে।
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের উপর ব্যাপক নির্যাতন ও অত্যাচার চালিয়েছে। দেশজুড়ে তাদের অমানবিক অত্যাচার, হত্যা, লুণ্ঠন জনজীবনকে আতঙ্কিত করে তোলে। তবু বাঙালি তাদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্নে পাকিস্তানিদের সঙ্গে কখনো আপস করেনি। তারা সংগ্রাম করে রক্তের বিনিময়ে তাদের অধিকার ছিনিয়ে এনেছে। আলোচ্য কবিতায় এসব বিষয় চমৎকার ব্যঞ্জনায় ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে একটি পতাকার জন্য বাঙালির সীমাহীন রক্ত ও অশ্রুর কথা উঠে এসেছে। বাঙালি জাতিকে দমন করতে শহর-বন্দরে জলপাই রঙের ট্যাংক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু বাঙালি জাতি কোনো কিছুর কাছেই মাথা নত করে না। তারা অন্যায়ের প্রতিবাদে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। একইভাবে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও গণ আন্দোলনের সংগ্রামী প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটিতে একুশের রক্তঝরা দিনগুলো এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মাহুতির মাহাত্ম্যে প্রগাঢ়তা লাভ করেছে। শুধু তা-ই নয়, পরবর্তী সময়ে উনসত্তরের গণ আন্দোলনে ভাষা সংগ্রামের চেতনা কীভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল, সে দিকটিও তুলে ধরা হয়েছে আলোচ্য কবিতাটিতে। সুতরাং, 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত গণ আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!