একটি পতাকার জন্য কত রক্ত চাই!
একটি মানচিত্রের জন্য কত অশ্রু চাই!

-রক্তের বুদ্‌বুদ ওঠে বিষণ্ণ বাতাসে

চির সবুজের দেশে আপ্লুত আমুদে।

জলপাই রঙের ট্যাংক বেড়ায় দাপিয়ে,

শহরে কী বন্দরে সময়-অসময়।
গর্জে উঠেছে সন্তান ভয়হীন সপ্রাণ,

বাহুতে কলিজা বেঁধে করেছে সংগ্রাম।'

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

কমলবন' শব্দটির অর্থ পদ্মবন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ঘাতকের আস্তানা' বলতে স্বৈরাচারী পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্মম নির্যাতনের শিকার পরাধীন বাংলাদেশকে বোঝানো হয়েছে। এখানে ঘাতক হলো পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ও আস্তানা হলো তাদের দ্বারা নির্যাতিত পরাধীন বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই বাঙালি নানাভাবে শাসন-শোষণের শিকার হতে থাকে। শাসকবর্গ এ দেশের মানুষের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অত্যাচার চালাতে থাকে। তাদের এই ঘাতকসম অত্যাচারের জন্যই কবি পরাধীন বাংলাদেশকে ঘাতকের আস্তানা বলেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত জাতিগত শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের বিদ্রোহের দিকটি উদ্দীপকে উঠে এসেছে।
পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের উপর ব্যাপক নির্যাতন ও অত্যাচার চালিয়েছে। দেশজুড়ে তাদের অমানবিক অত্যাচার, হত্যা, লুণ্ঠন জনজীবনকে আতঙ্কিত করে তোলে। তবু বাঙালি তাদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্নে পাকিস্তানিদের সঙ্গে কখনো আপস করেনি। তারা সংগ্রাম করে রক্তের বিনিময়ে তাদের অধিকার ছিনিয়ে এনেছে। আলোচ্য কবিতায় এসব বিষয় চমৎকার ব্যঞ্জনায় ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে একটি পতাকার জন্য বাঙালির সীমাহীন রক্ত ও অশ্রুর কথা উঠে এসেছে। বাঙালি জাতিকে দমন করতে শহর-বন্দরে জলপাই রঙের ট্যাংক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু বাঙালি জাতি কোনো কিছুর কাছেই মাথা নত করে না। তারা অন্যায়ের প্রতিবাদে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। একইভাবে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায়ও গণ আন্দোলনের সংগ্রামী প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটিতে একুশের রক্তঝরা দিনগুলো এদেশের সংগ্রামী মানুষের আত্মাহুতির মাহাত্ম্যে প্রগাঢ়তা লাভ করেছে। শুধু তা-ই নয়, পরবর্তী সময়ে উনসত্তরের গণ আন্দোলনে ভাষা সংগ্রামের চেতনা কীভাবে প্রেরণা জুগিয়েছিল, সে দিকটিও তুলে ধরা হয়েছে আলোচ্য কবিতাটিতে। সুতরাং, 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বর্ণিত গণ আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

গণ-আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরায় উদ্দীপকের কবি যেন 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির মূল চেতনাকে ধারণ করে আছে।
মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি। তৎকালীন পাকিস্তানি সরকার মাতৃভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চাইলে বাঙালি রক্ত দিয়ে তা রক্ষা করে। ১৯৫২ সালের রক্তক্ষয়ী ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে আসে ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার মাধ্যমে কবির মধ্যে এদেশের গণমানুষের সংগ্রামী চেতনার এই দিকটিই প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে একটি পতাকার জন্য বাঙালির সীমাহীন রক্ত ও অশ্রুর কথা উঠে এসেছে। বাঙালি জাতিকে দমন করতে শহর-বন্দরে জলপাই রঙের ট্যাংক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু বাঙালি জাতি কোনো কিছুর কাছেই মাথা নত করে না। তারা অন্যায়ের প্রতিবাদে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। জাতীয়তাবাদী চেতনা বুকে ধারণ করতে পেরেছিল বলেই পরবর্তী সময়ে বাঙালি জাতি পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে মুক্ত হতে পেরেছিল।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় বাঙালির সংগ্রামী চেতনা ও গভীর স্বদেশপ্রেম প্রতিফলিত হয়েছে। এ কবিতায় বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে রেহাই পেতে এদেশের মানুষের। মানুষের প্রতিবাদী মনোভাবের পরিচয় ফুটে উঠেছে। এছাড়াও কবিতাটিতে উঠে এসেছে মানুষের প্রতিবাদী চেতনা কীভাবে গণজাগরণে রূপ নেয় সে দিকটি। এই গণজাগরণের পিছনে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে প্রাপ্ত জাতীয়তাবাদী চেতনাকে প্রেরণার উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে। উদ্দীপকের কবিতাংশটিতে এ বিষয়ের ইঙ্গিত রয়েছে। অর্থাৎ উদ্দীপক এবং আলোচ্য কবিতা উভয়ক্ষেত্রেই বাঙালির আত্মত্যাগের মহান স্মৃতি এবং জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। সে বিবেচনায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
25

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
183
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews