উদ্দীপকটিতে 'বৃষ্টি' কবিতার একাংশের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, পুরো অংশ প্রতিফলিত হয়নি। মন্তব্যটি যথার্থ।
বর্ষা প্রকৃতির নিজস্ব রূপ ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার প্রভাবে প্রকৃতি ও মানুষ জেগে ওঠে। বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনেও এক অনির্বচনীয় অনুভূতির জন্ম দেয়। তাই সে নতুন বৃষ্টিধারায় স্নাত বনবনানীর সঙ্গে সুদূরের ভাবনায় জেগে ওঠে।
উদ্দীপকটি বর্ষার বৈশিষ্ট্যের দিককে নির্দেশ করেছে। বর্ষার দিনে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে কীভাবে চারদিক পানিতে ভরে ওঠে- বর্ষার সেই রূপটিই উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকের এ রূপটি 'বৃষ্টি' কবিতার একটি দিক মাত্র। বর্ষার আগমনে মানুষের মন বিরহী হয়ে ওঠে, মন সুদূর কোনো ভাবনায় নিমজ্জিত হয়। উদ্দীপকে কবিতার এ বিষয়টি অনুপস্থিত।
প্রকৃতির রূপের সঙ্গে মানুষের মনের যোগসূত্র আছে। এ কারণেই বসন্তকালে মানুষ খুব আনন্দিত হয়, আবার শীতের দিনে মানুষ চুপচাপ ও নির্জীব হয়ে পড়ে। ঠিক এভাবেই বর্ষার দিনে মানুষের মন উদাসী হয়ে ওঠে। বহুদিনের পুরানো স্মৃতি মনে জেগে ওঠে। 'বৃষ্টি' কবিতায় এ বিষয়টি আছে। কিন্তু উদ্দীপকে এর বহিঃপ্রকাশ ঘটেনি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!