উদ্দীপকে বর্ণিত তরুণদের সব বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ বয়সি তরুণেরা অসীম সাহস ও আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত। তাই তারা শত আঘাত-সংঘাতের মধ্যেও রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। এরা স্থবিরতা, নিশ্চলতা, জরাজীর্ণতাকে অতিক্রম করে দুর্বার গতিতে। তাই আলোচ্য কবিতায় কবি প্রগতি ও অগ্রগতির পথে এ বয়সি তরুণদের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।
উদ্দীপকের কবি দুরন্ত-দুর্বার তারুণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ তরুণরা আগুনে পুড়ে, রক্ত দিয়ে যে সত্য জেনেছে এবং মন্ত্র শিখেছে তা তাদের শক্তি। সামনের দিকে চলতে তারা প্রথমেই তাদের ভিতরের ভীরুতা পোড়াতে চেয়েছে। তারপর পোড়াতে চেয়েছে অন্ধ বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তার মেদকে। এখানে তারুণ্যকে অফুরন্ত প্রাণের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর তারুণ্যের এসব বৈশিষ্ট্যই 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় সদ্য যৌবনে উত্তীর্ণ তরুণদের মধ্যে কবি প্রত্যক্ষ করেছেন। এভাবেই উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!