"উদ্দীপকটি', 'বহিপীর' নাটকের সামগ্রিকতাকে ধারণ করে না"- মন্তব্যটি যথার্থ।
আমাদের সমাজের এমন অনেক মানুষ আছে যারা সবসময় নিজ স্বার্থের কথা চিন্তা করে। স্বার্থসিদ্ধির জন্য তারা সাধারণ মানুষকে ঠকায়। তারা ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে। তাই আমাদের সমাজ দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে।
উদ্দীপকে জিলহুল আলী নিজেকে পীর পরিচয় দিয়ে সাধারণ মনুষকে প্রভাবিত করে চলেছেন। ডিজিটাল উপায়ে তার মতবাদ প্রচার করতে নিজস্ব একটি ব্লগসাইট উদ্বোধন করে সেখানে প্রচারণা চালিয়ে পীর-মুরিদির ব্যবসায়কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। 'বহিপীর' নাটকেও ধর্মকে ব্যবহার করে মুরিদের কাছ থেকে স্বার্থ হাসিলের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে এই বিষয়টি আলোচ্য নাটকের সামগ্রিক বিষয় নয়।
'বহিপীর' নাটকটি বাঙালি মুসলমান সমাজে প্রচলিত পীরপ্রথার একটি বিশ্বস্ত দলিলস্বরূপ। ধর্মকে ব্যবহার করে পীরদের স্বার্থোদ্ধারের দিকটি এখানে প্রকাশ পেয়েছে। অন্ধবিশ্বাসকে পাশ কাটিয়ে অবশেষে এখানে মানবিকতার জয় হয়েছে। শেষপর্যন্ত নাটকটি মানবিক জাগরণের দৃশ্যকাব্য হয়ে উঠেছে। এসব ভাব ও বিষয় উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allবহিপীর নাটকের কেন্দ্রীয় ও নাম চরিত্র। তার বাড়ি উত্তরের সুনামগঞ্জ। সাধারণের ভাষা তার কাছে অপবিত্র মনে হওয়ায় তিনি বহি বা বইয়ের ভাষায় কথা বলেন। এ কারণেই তার নাম বহিপীর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!