উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

স্বজনের বিশ্বাসঘাতকতার চিত্র উপস্থাপনের সূত্রে উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ বলেই আমি মনে করি।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় বিশ্বাসঘাতক পিতৃব্য বিভীষণের প্রতি অসহায় মেঘনাদের বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে। বিভীষণের সঙ্গে ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদের আদর্শের দ্বন্দ্বই কবিতাটির মূল বিষয়। তাদের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন দেশপ্রেমের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে, অন্যদিকে প্রকাশ পেয়েছে ধর্মবোধ ও নৈতিকতা।
উদ্দীপকে পলাশির যুদ্ধে নবাবের নির্ভরযোগ্য সেনাপতিসহ দায়িত্বশীল সেনা-কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার প্রসঙ্গটি বর্ণিত হয়েছে। এখানে প্রধান সেনাপতি মিরজাফর সিরাজউদ্দৌলার বিপক্ষে কাজ করেন। তাঁর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যও অস্তমিত হয়। অন্যদিকে, 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় শুধু স্বজনের বিশ্বাসঘাতকতাই চিত্রিত হয়নি; মেঘনাদের বীরত্ব, সাহসিকতা, ব্যক্তিত্ব এবং স্বজাতির প্রতি মমত্ববোধের প্রসজাও গুরুত্ব পেয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিষয়বস্তুর সঙ্গে উদ্দীপকের ভাবগত মিল থাকলেও কবিতাটিতে উপস্থাপিত হয়েছে ব্যাপকতর বিষয়। এখানে মেঘনাদকে উপস্থাপন করা হয়েছে এক অকুতোভয় বীরযোদ্ধা হিসেবে। দেশপ্রেম, স্বাজাত্যবোধ, ধৈর্য ও সংযম তার চরিত্রের বিশেষ দিক। পক্ষান্তরে, এ কবিতায় বিভীষণ দেশ ও জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার দোষে দুষ্ট। তবে বিভীষণের আত্মপক্ষ সমর্থনে ধর্ম ও নৈতিকতার যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে কবিতায়। কেননা, রাবণের দুরাচারের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। এ ধরনের কোনো আদর্শগত দ্বন্দ্ব উদ্দীপকে নেই। তাছাড়া কবিতায় উল্লিখিত গুরুজনের প্রতি বিনয় ও সংযমের দিকটিও সেখানে উপেক্ষিত রয়ে গেছে। এভাবে উদ্দীপকটিতে এ কবিতার মাত্র দুটি দিক- দেশাত্মবোধ ও বিশ্বাসঘাতকতার চিত্রই ফুটে উঠেছে, যা কবিতাটির আংশিক প্রতিনিধিত্ব করে। এদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
209


“এতক্ষণে”- অরিন্দম কহিলা বিষাদে-
“জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল
 রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব
 এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,
 সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ
 কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! 
নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
 চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
 কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি
 পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,
পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,
লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।”
উত্তরিলা বিভীষণ, “বৃথা এ সাধনা,
ধীমান্! রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে
 তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে 
অনুরোধ?” উত্তরিলা কাতরে রাবণি;-
“হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!
 রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে
 আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে ! 
স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;
 পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি
 ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে
 কে তুমি? জনম তব কোন মহাকুলে?
 কে বা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে 
করে কেলি রাজহংস পঙ্কজ-কাননে; 
যায় কি সে কভু, প্ৰভু, পঙ্কিল সলিলে,
 শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী,
 কবে, হে বীরকেশরী, সম্ভাষে শৃগালে 
মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,
 অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে ।
 ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ; নহিলে 
অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে? 
কহ, মহারথী, এ কি মহারথীপ্রথা ?
 নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে
 এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া
 এখনি! দেখিব আজি, কোন্ দেববলে,
 বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি! 
দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ, 
রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কী দেখি 
ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?
নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগভে পশিল 
দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে । 
তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে
বনবাসী! হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে
 ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্ৰফুল্ল কমলে
 কীটবাস? কহ তাত, সহিব কেমনে 
হেন অপমান আমি,— ভ্রাতৃ-পুত্র তব?
 তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
 মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী, 
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে 
তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা 
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি! 
বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে 
পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি 
বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে !
 রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী 
তেঁই আমি । পরদোষে কে চাহে মজিতে?”
 রুষিলা বাসবত্রাস। গম্ভীরে যেমতি 
নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্ৰ কোপি, 
কহিলা বীরেন্দ্র বলী,—“ধর্মপথগামী, 
হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে 
তুমি; – কোন্ ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,
 জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,—এ সকলে দিলা 
জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি 
পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি 
নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা! 
এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে? 
কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,
 হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে ? 
গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।” 
[নির্বাচিত অংশ]


 

Related Question

View All
উত্তরঃ

সৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।

Araf Rizvee
Araf Rizvee
2 years ago
1.6k
উত্তরঃ

'হায় তাত, উচিত কি তব এ কাজ?'— উক্তিটি করেছিল মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকে মেঘনাদ (ইন্দ্রজিৎ)। লক্ষ্মণ যখন নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে নিরস্ত্র অবস্থায় মেঘনাদকে আক্রমণ করে, তখন মেঘনাদ লক্ষ্মণের এই অনৈতিক ও কাপুরুষোচিত কাজের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে এই উক্তিটি করেছিল।

উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। মীরজাফরের এই জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতার ফলে বাংলার স্বাধীন নবাব পরাজিত হন এবং ব্রিটিশরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। মেঘনাদের উক্তিটি এখানে মীরজাফরের প্রতিরূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে তার বিশ্বাসঘাতকতার মতো অন্যায় ও অপ্রত্যাশিত কাজের প্রতি গভীর ক্ষোভ, ধিক্কার এবং হতাশা প্রকাশ করা হয়েছে, যা বাংলার স্বাধীনতার পতন ডেকে এনেছিল।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1.4k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মূলভাব মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার 'বিভীষণ' চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে। বিশ্বাসঘাতকতা এবং নিজ জাতির প্রতি বেইমানিই এই দুই চরিত্রের মূল সাদৃশ্য।

উদ্দীপকে পলাশীর প্রান্তরে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মীরজাফরের চক্রান্ত ও বেইমানির কারণে হাজার হাজার সৈন্য পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে ছিল এবং মোহনলাল ও মীরমদনের প্রাণপণ যুদ্ধও ব্যর্থ হয়। এর ফলস্বরূপ ব্রিটিশরা বাংলা দখল করে নেয় এবং ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়। এখানে মীরজাফর ক্ষমতার লোভে দেশ ও জাতির সাথে বেইমানি করেছে।

একইভাবে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কাব্যাংশে বিভীষণ নিজের ভাই রাবণ ও স্বজাতিকে ত্যাগ করে শত্রুপক্ষ রামের সঙ্গে যোগ দেয়। লঙ্কাকে বাঁচানোর অজুহাত দিলেও বিভীষণের এই কাজ স্বজন ও দেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতারই নামান্তর। উদ্দীপকের মীরজাফর যেমন বাংলার স্বাধীনতা ইংরেজদের হাতে তুলে দিয়েছিল, তেমনি বিভীষণও রামের হাতে রাবণ ও লঙ্কার পতনের পথ সুগম করে। বিশ্বাসঘাতকতার এই তুলনামূলক চিত্র উদ্দীপক ও কবিতার মূলভাবকে একই সূত্রে গ্রথিত করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
1.1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মূলভাব 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবের সাথে আংশিক সামঞ্জস্যপূর্ণ' - উক্তিটি যথার্থ। উভয় ক্ষেত্রেই দেশ বা জাতির বিপদের মুহূর্তে আপনজনের বিশ্বাসঘাতকতা তাদের পতনের কারণ হয়েছে, যা গভীর মর্মবেদনার জন্ম দেয়।

উদ্দীপকে পলাশীর প্রান্তরে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ফলে বাংলার স্বাধীনতা হারানোর করুণ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে ছিল, কারণ তাদের সেনাপতি মীরজাফর ইংরেজদের সাথে আঁতাত করে জাতির সাথে বেইমানি করেছিল। মোহনলাল ও মীরমদানের মতো বীরেরা প্রাণপণ যুদ্ধ করেও এই বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হন এবং ব্রিটিশরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার স্বাধীনতার যে অবসান ঘটে, তার মূলে ছিল একজন আপনজনের স্বার্থপরতা ও বিশ্বাসভঙ্গ।

'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত লঙ্কার রাজা রাবণের ভাই বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার চিত্র তুলে ধরেছেন। রামের পক্ষে যোগ দিয়ে বিভীষণ নিজের ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদকে হত্যা করার পথ খুলে দেয়। মেঘনাদ মর্মাহত হয়ে বিভীষণকে 'কুলক্ষণ', 'জাতিদ্রোহী' এবং 'নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে' প্রবেশের জন্য তিরস্কার করে। লঙ্কার মতো শক্তিশালী রাজ্যের পতনের কারণ হিসেবেও এখানে একজন আপনজনের, অর্থাৎ বিভীষণের বেইমানিকে দেখানো হয়েছে, যা সমগ্র জাতির জন্য এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি বয়ে আনে।

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, উদ্দীপকের ঘটনা এবং 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবের মধ্যে গভীর আংশিক সামঞ্জস্য বিদ্যমান। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাহ্যিক শত্রুর চেয়ে অভ্যন্তরীণ শত্রুই বেশি ভয়ংকর এবং বিধ্বংসী। মীরজাফর যেমন বাংলার স্বাধীনতার পতন ঘটিয়েছে, তেমনি বিভীষণ লঙ্কার পতনের পথ সুগম করেছে। দুই ক্ষেত্রেই আপনজনের বিশ্বাসঘাতকতা জাতি বা রাজ্যের বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা উভয় রচনার মূল সুর হিসেবে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। অতএব, প্রদত্ত উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ ও যৌক্তিক।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
505
উত্তরঃ

বাসবত্রাস হলেন মহাবীর মেঘনাদ। দেবরাজ ইন্দ্রকে যুদ্ধে পরাজিত করে আতঙ্ক সৃষ্টি করার কারণে তাঁকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
407
উত্তরঃ

"লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভগ্নিব আহবে"— এই উক্তিটি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকে নেওয়া হয়েছে। রাক্ষসকুল শিরোমণি মেঘনাদ, লঙ্কার সেনাপতি বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতা অর্থাৎ রামের পক্ষ অবলম্বন করে নিজের ভ্রাতা ও জন্মভূমির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার ফলে লঙ্কার যে অপমান ও কলঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে দূর করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন এই উক্তির মাধ্যমে।

এই উক্তিতে মেঘনাদের গভীর দেশপ্রেম, আত্মসম্মানবোধ এবং পিতৃভূমি লঙ্কার মর্যাদা রক্ষার জন্য আত্মত্যাগের মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে। বিভীষণের নির্লজ্জ বিশ্বাসঘাতকতা লঙ্কাবাসীর মনে যে ক্ষোভ ও অপমানের জন্ম দিয়েছিল, মেঘনাদ তা নিজের হাতে যুদ্ধ করে মুছে ফেলতে চেয়েছেন। এটি কেবল একটি প্রতিজ্ঞা নয়, বরং লঙ্কার গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য এক বীরোচিত আহ্বান।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
727
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews