শপথ নিয়েও পলাশির প্রান্তরে প্রধান সেনাপতি মিরজাফর যুদ্ধে অংশ নেননি। রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, জগৎশেঠ যুদ্ধে অসহযোগিতা করেছেন। মোহনলাল ও মিরমর্দান বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন। মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

মেঘনাদকে রাবণি বলা হয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

প্রফুল্ল কমলে কীটবাস' বলতে মনোহর লঙ্কাপুরীতে শত্রু লক্ষ্মণের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ ও অবস্থানকে বোঝানো হয়েছে।
যুদ্ধযাত্রার আগে মেঘনাদ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে যজ্ঞ করতে গেলে লক্ষ্মণ তাকে নিরস্ত্র অবস্থায় হত্যা করতে উদ্যত হয়। মেঘনাদ এও বুঝতে পারে যে, তার চাচা বিভীষণই লক্ষ্মণকে যজ্ঞাগারে প্রবেশে সহযোগিতা করেছেন। তাই সে চাচাকে উদ্দেশ করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে যে, কীটতুল্য লক্ষ্মণ কীভাবে লঙ্কাপুরীতে প্রবেশ করল। তার মতে, লক্ষ্মণের লঙ্কাপুরীতে অনুপ্রবেশ প্রফুল্ল কাননে কীটের বসবাসের সঙ্গেই তুলনীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় চিত্রিত স্বজনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় স্বজনের বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত মর্মস্পর্শীভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ যজ্ঞ করতে গেলে বিভীষণ তাকে হত্যার জন্য শত্রুপক্ষের লক্ষ্মণকে সহযোগিতা করেন। আপনজন ছাড়া মেঘনাদের এই নিরস্ত্র অবস্থানের কথা শত্রুর পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না। বিভীষণের এ বিশ্বাসঘাতকতা শুধু মেঘনাদকে মৃত্যুর মুখেই ঠেলে দেয়নি; লঙ্কার পরাজয়কেও ঘনীভূত করেছে।
উদ্দীপকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উপস্থাপিত হয়েছে। পলাশির প্রান্তরে ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে নবাব বাহিনীর যুদ্ধ শুরু হলে প্রধান সেনাপতি মিরজাফর দেশরক্ষার শপথ নিয়েও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে অংশ নেননি। এমনকি তাঁর সহযোগী হিসেবে রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ ও জগৎশেঠও যুদ্ধে অসহযোগিতা করেছেন। আপনজনদের এরূপ বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় নিশ্চিত হয়- অস্তমিত হয় বাংলার স্বাধীনতার সূর্য। 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মেঘনাদকেও প্রিয়জনের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে অতর্কিত আক্রমণের শিকার হতে হয়। এদিক থেকে উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

স্বজনের বিশ্বাসঘাতকতার চিত্র উপস্থাপনের সূত্রে উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ বলেই আমি মনে করি।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় বিশ্বাসঘাতক পিতৃব্য বিভীষণের প্রতি অসহায় মেঘনাদের বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে। বিভীষণের সঙ্গে ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদের আদর্শের দ্বন্দ্বই কবিতাটির মূল বিষয়। তাদের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন দেশপ্রেমের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে, অন্যদিকে প্রকাশ পেয়েছে ধর্মবোধ ও নৈতিকতা।
উদ্দীপকে পলাশির যুদ্ধে নবাবের নির্ভরযোগ্য সেনাপতিসহ দায়িত্বশীল সেনা-কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার প্রসঙ্গটি বর্ণিত হয়েছে। এখানে প্রধান সেনাপতি মিরজাফর সিরাজউদ্দৌলার বিপক্ষে কাজ করেন। তাঁর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলার স্বাধীনতার সূর্যও অস্তমিত হয়। অন্যদিকে, 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় শুধু স্বজনের বিশ্বাসঘাতকতাই চিত্রিত হয়নি; মেঘনাদের বীরত্ব, সাহসিকতা, ব্যক্তিত্ব এবং স্বজাতির প্রতি মমত্ববোধের প্রসজাও গুরুত্ব পেয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিষয়বস্তুর সঙ্গে উদ্দীপকের ভাবগত মিল থাকলেও কবিতাটিতে উপস্থাপিত হয়েছে ব্যাপকতর বিষয়। এখানে মেঘনাদকে উপস্থাপন করা হয়েছে এক অকুতোভয় বীরযোদ্ধা হিসেবে। দেশপ্রেম, স্বাজাত্যবোধ, ধৈর্য ও সংযম তার চরিত্রের বিশেষ দিক। পক্ষান্তরে, এ কবিতায় বিভীষণ দেশ ও জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার দোষে দুষ্ট। তবে বিভীষণের আত্মপক্ষ সমর্থনে ধর্ম ও নৈতিকতার যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে কবিতায়। কেননা, রাবণের দুরাচারের কারণেই লঙ্কার যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। এ ধরনের কোনো আদর্শগত দ্বন্দ্ব উদ্দীপকে নেই। তাছাড়া কবিতায় উল্লিখিত গুরুজনের প্রতি বিনয় ও সংযমের দিকটিও সেখানে উপেক্ষিত রয়ে গেছে। এভাবে উদ্দীপকটিতে এ কবিতার মাত্র দুটি দিক- দেশাত্মবোধ ও বিশ্বাসঘাতকতার চিত্রই ফুটে উঠেছে, যা কবিতাটির আংশিক প্রতিনিধিত্ব করে। এদিক বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
112


“এতক্ষণে”- অরিন্দম কহিলা বিষাদে-
“জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল
 রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব
 এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,
 সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ
 কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! 
নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
 চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
 কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি
 পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,
পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,
লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।”
উত্তরিলা বিভীষণ, “বৃথা এ সাধনা,
ধীমান্! রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে
 তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে 
অনুরোধ?” উত্তরিলা কাতরে রাবণি;-
“হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!
 রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে
 আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে ! 
স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;
 পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি
 ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে
 কে তুমি? জনম তব কোন মহাকুলে?
 কে বা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে 
করে কেলি রাজহংস পঙ্কজ-কাননে; 
যায় কি সে কভু, প্ৰভু, পঙ্কিল সলিলে,
 শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী,
 কবে, হে বীরকেশরী, সম্ভাষে শৃগালে 
মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,
 অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে ।
 ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ; নহিলে 
অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে? 
কহ, মহারথী, এ কি মহারথীপ্রথা ?
 নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে
 এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া
 এখনি! দেখিব আজি, কোন্ দেববলে,
 বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি! 
দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ, 
রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কী দেখি 
ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?
নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগভে পশিল 
দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে । 
তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে
বনবাসী! হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে
 ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্ৰফুল্ল কমলে
 কীটবাস? কহ তাত, সহিব কেমনে 
হেন অপমান আমি,— ভ্রাতৃ-পুত্র তব?
 তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
 মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী, 
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে 
তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা 
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি! 
বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে 
পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি 
বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে !
 রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী 
তেঁই আমি । পরদোষে কে চাহে মজিতে?”
 রুষিলা বাসবত্রাস। গম্ভীরে যেমতি 
নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্ৰ কোপি, 
কহিলা বীরেন্দ্র বলী,—“ধর্মপথগামী, 
হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে 
তুমি; – কোন্ ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,
 জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,—এ সকলে দিলা 
জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি 
পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি 
নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা! 
এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে? 
কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,
 হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে ? 
গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।” 
[নির্বাচিত অংশ]


 

Related Question

View All
উত্তরঃ

সৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।

Araf Rizvee
Araf Rizvee
2 years ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews