উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ মাত্র- উভয়ের সাদৃশ্যগত বিচারে একথা বলা যুক্তিসংগত।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় স্বজন, স্বজাতি ও স্বদেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার এক করুণ দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়েছে। বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার প্রেক্ষাপটে মেঘনাদের দেশপ্রেমই এ কবিতার মূল প্রেরণা। এছাড়াও প্রাসঙ্গিক নানা বিষয়ের সন্নিবেশ ঘটেছে এ কবিতায়।
উদ্দীপকে পলাশির যুদ্ধের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে নিকটজনের বিশ্বাসঘাতকতার দিকটিই প্রাধান্য পেয়েছে। ঐতিহাসিক এ যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মিরজাফর ও তার সহযোগীরা তাঁর বিপক্ষে কাজ করে। পাশাপাশি মোহনলাল ও মিরমর্দানের দেশপ্রেমের দৃষ্টান্তও উপস্থাপিত হয়েছে এখানে। 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' 'কবিতায় বিভীষণও মিরজাফরের মতোই আপনজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন রাম-রাবণের যুদ্ধে। তাঁর এ ভূমিকায় বিস্মিত হয়ে দেশপ্রেমী বীর মেঘনাদ তীব্রভাবে ভর্ৎসনা করেছে তাঁকে। সেইসঙ্গে স্বদেশ ও স্বজাতির মাহাত্ম্য তুলে ধরেছে নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে।
মূলভাবের সাদৃশ্য সত্ত্বেও উদ্দীপকের মতো আলোচ্য কবিতায় কেবল দেশপ্রেম ও বিশ্বাসঘাতকতার স্বরূপই চিত্রিত হয়নি; পাশাপাশি মেঘনাদের বীরত্ব, সাহসিকতা, ব্যক্তিত্ব এবং স্বজাতির প্রতি মমত্ববোধের রূপায়ণ ঘটেছে। বিভীষণের আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তিও বিবৃত হয়েছে এখানে। এছাড়া পৌরাণিক নানা চরিত্র, ঘটনা ও অনুষঙ্গের সমন্বয়ে বহুমাত্রিকতা লাভ করেছে কবিতাটি। এসব দিক বিবেচনায় বলা যায়, 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার আংশিক রূপায়ণ ঘটেছে উদ্দীপকে; সামগ্রিক প্রতিফলন ঘটেনি।
Related Question
View Allসৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!