উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার মূলভাবকে আংশিক ধারণ করেছে। কারণ উদ্দীপকটি শুধু 'বৃষ্টি' কবিতায় উপস্থাপিত মানবমনের ওপর প্রকৃতির প্রভাব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
প্রকৃতির সঙ্গে মানবমনের রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। ঋতুভেদে প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন রূপ জীবজগৎ, পরিবেশ তথা মানুষের জীবনাচরণের ওপর ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব ফেলে। প্রকৃতির রূপ ও আচরণ মানুষের জীবনের পালাবদলের দ্যোতক।
উদ্দীপকের কবিতাংশে শীতের রাতে কবির অনুভূতির কথা ব্যক্ত হয়েছে। শীতের রিক্ততা তার বেদনাবহ স্মৃতিকে জাগিয়ে তুলেছে। উতলা বাতাস কবির মনকে ব্যাকুল করেছে; দুঃসহ স্মৃতি তাড়িত কবির চোখের জল শীতের শিশির বিন্দু হয়ে ঝরে পড়েছে। এ ভাবটি 'বৃষ্টি' কবিতায় প্রকাশিত বৃষ্টির দিনে সংবেদনশীল মানবমনে বিষণ্ণতাকে ধারণ করেছে মাত্র, অন্যান্য বিষয় নয়।
'বৃষ্টি' কবিতায় কবি মানবমনের অনুভূতির পাশাপাশি বর্ষার আগমনে প্রকৃতি জগতের নতুন প্রাণের স্পন্দন, সজীবতা, নতুন জীবনের সঞ্চারের দিক ইত্যাদি বিষয় উপস্থাপন করেছেন। প্রকৃতির রুক্ষতা দূরীভূত করে বর্ষা সমস্ত প্রাণিজগতে নতুন প্রাণের স্পন্দন জাগায়। তৃষিত বনের সঙ্গে মানুষের মনও নতুন প্রাণের উৎসবে জেগে ওঠে। কবিতার এই প্রাণোচ্ছলতার দিকটি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার মূলভাবের অংশিক ধারণ করেছে মাত্র, সম্পূর্ণ ভাবকে নয়।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!