উদ্দীপকটি 'মানুষ' কবিতার অসাম্প্রদায়িক চেতনার দিকটিকে নির্দেশ করেছে।
সাম্যবাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর সব মানুষ সমান। সবাই একই স্রষ্টার সৃষ্টি। একই চন্দ্র-সূর্যের আলোতে, ফুলে-ফসলে লালিত। তাদের সবার জন্ম-মৃত্যুও এক ও অভিন্ন। জগৎজুড়ে মানুষে মানুষে যে বিভেদ-বৈষম্য বিদ্যমান তা মানুষের স্বার্থের কারণে সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষই তা ধর্ম-বর্ণ-জাতির দোহাই দিয়ে তৈরি করেছে।
উদ্দীপকে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যসাধনের চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে। এখানে দেবতার থানে বটের ঝুরিতে সুতা বাঁধা এবং পীরের দরগায় চেরাগ জ্বালানোকে এক করে দেখা হয়েছে। একজনের স্তোত্রপাঠ যেমন অন্যজনকে ডাকে, তেমনই অন্যজনের আজানের ধ্বনি ঐ একজনকে খুঁজে ফেরে। এভাবে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যসাধনের যে চেতনা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে তা 'মানুষ' কবিতায় প্রতিফলিত সাম্যবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নির্দেশ করে। 'মানুষ' কবিতায় কবি 'মানুষ' হিসেবে মানুষের মর্যাদা লাভের দিকটি তুলে ধরেছেন। ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার না দিয়ে তার সঙ্গে মসজিদের মোল্লা এবং মন্দিরের পূজারির অমানবিক আচরণকে তিনি মেনে নিতে পারেননি। পৃথিবীর সব মানুষ যে অভিন্ন এক জাতি তিনি এই সত্য সবার সামনে তুলে ধরেছেন। উদ্দীপকের কবিতাংশেও এই বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!