'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে তরুণদের এগিয়ে আসার স্বভাবসুলভ প্রবণতার কথা ব্যক্ত হয়েছে, যা উদ্দীপকের ফারাজ আইয়াজ হোসেনের মধ্যেও বিদ্যমান।
'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি তরুণদের তীব্র ও প্রখর প্রাণশক্তির কথা বলেছেন, যার জন্য তরুণেরা সংবেদনশীল হয়। তাই দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে তারা এগিয়ে আসে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, নিজের রক্ত দিয়ে তারা সময়ের দাবিতে অংশ নেয়। মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য তারা নিজের প্রাণ বিসর্জন দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে না।
উদ্দীপকে গুলশানের হলি আর্টিজনে হামলার ঘটনায় ফারাজ আইয়াজ হোসেনের সাহসিকতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বিপদের মুখে বন্ধুদেরকে সন্ত্রাসীদের সামনে ফেলে না আসায় সে সন্ত্রাসীদের কাছে প্রাণ হারায়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে চারিত্রিক দৃঢ়তা বজায় রেখে সে আপসহীন থাকে। বিপন্ন মানবতার আর্তচিৎকার শুনে সে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাতে বর্ণিত 'এ বয়স জানে 'রক্তদানের পুণ্য' উক্তিটির সঙ্গে ফারাজের বন্ধুকে ত্যাগ না করে নিজ জীবন বিসর্জনের ঘটনাটির সাদৃশ্য রয়েছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!