উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজের কাজ সে সবসময় নিজেই করে থাকে। নিজের কাজ নিজে করার কতকগুলো উপকারিতা আছে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. যেকোনো কাজ সঠিক উপায়ে করা যায়।
২. নিজের কাজ নিজে করার ফলে প্রয়োজনীয় মুহূর্তে কাজের চাপ তৈরি হয় না।
৩. কাজে দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি করা সহজ হয়।
৪. কাজ করার ফলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
৫. অন্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
৬. অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায়।
৭. কাজে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
৮. আত্মবিশ্বাস, আগ্রহ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়।
Related Question
View Allকাজের সফলতা নির্ভর করে সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার ওপর।
প্রাত্যহিক জীবনে নিজের কাজ বলতে বোঝায় প্রতিদিনের বাড়ির কাজ ও ক্লাসের পড়া প্রতিদিন শেষ করা, সময়মতো ক্লাসে যাওয়া, পড়া শেষে টেবিল গুছিয়ে রাখা, স্কুল ব্যাগ গোছানো, টিফিন তৈরি করা, নিজের জামা কাপড় নিজে পরিষ্কার করা। তাছাড়া খাবার শেষে দাঁত ব্রাশ করা, মশারি টাঙানো, বিছানা পরিষ্কার করা, জামাকাপড় গোছানো ইত্যাদি প্রাত্যহিক কাজ। এ কাজগুলো নিজের কাজ হিসেবে প্রতিদিনই করতে হয়।
নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে আনন্দ এবং গৌরব রয়েছে। তন্বীর সফলতার ক্ষেত্রে সে সেই উপায়টি অনুসরণ করেছিল। সে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করত এবং সময়মতো ক্লাসে যেত। ক্লাসের কাজগুলো সময়মতো শেষ করে জমা দিত। নিজের গড়ার টেবিল গুছিয়ে রাখত। নিজের কাজের পাশাপাশি তার ছোট ভাইয়ের কাজেও সহযোগিতা করত। নিয়ম মেনে সময়মতো প্রাত্যহিক নিজের কাজ নিজে করার ফলে এবং নিয়মিত পড়াশোনা করার কারণে সে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারত। এভাবেই সে তার জীবনে সফলতা অর্জন করেছে।
অয়ন খুবই অলস প্রকৃতির ছেলে। আর এজন্য তার প্রতিটি কাজে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যাবে। সে নিজের কাজ নিজে করে না। তার টেবিল গোছানো, স্কুল ব্যাগ গোছানো সবই তার বোন তন্বী করে দেয়। এমনকি নিজের খাবার নিজে খেতে পারে না, তার মা তাকে খাইয়ে দেন। অয়নকে তার সব ধরনের কাজে অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। এর ফলে অয়নের আত্মবিশ্বাস কমে যাচ্ছে এবং সে প্রতিনিয়ত অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তাছাড়া নিজের কাজগুলো নিজে না করায় অয়ন কাজ করার মানসিকতা একসময় হারিয়ে ফেলবে। কাজ করার দক্ষতা অর্জন করতে পারবে না। এতে সে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। পরবর্তীতে সে কোনো কাজই করতে পারবে না। এতে তাকে সকল কাজে পরনির্ভরশীল হতে হবে এবং নিজে নিষ্কর্মনা হয়ে পড়বে।
হযরত ওমর রাষ্ট্রীয় কাজে দূরবর্তী স্থানে যাওয়ার সময় কিছুটা পথ নিজে উটের পিঠে চড়তেন এবং বাকি পথ তাঁর সহযাত্রী চাকরকে উটের পিঠে চড়তে দিতেন।
আমার প্রতিদিনের নিজের কাজগুলো হলো-
১. সকালে ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধোওয়া।
২. বিছানা গোছানো।
৩. কাপড় ধোয়া।
৪. স্কুল ব্যাগ গোছানো।
৫. বিদ্যালয়ে নিয়মিত এবং সময়মতো হাজির হওয়া।
৬. বিদ্যালয় থেকে ফিরে বিকালে বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলাধুলা করা।
৭. সন্ধ্যায় পড়তে বসা এবং
৮. রাতে বিছানা তৈরি করে ঘুমানো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
