উদ্দীপকের উদ্যোগটি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) কার্যক্রম সফল করতে সহায়ক।
বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট হাতে নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে নানামুখী বাধার সম্মুখীন হতে হবে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেশ কিছু করণীয় রয়েছে। যার মধ্যে অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিতকরণ অন্যতম।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ স্থাপনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে সারা বাংলাদেশের মানুষ তথ্য আদান প্রদানের উন্মুক্ত সুবিধা লাভ করেছে। বিশ্বে বাংলাদেশের তথ্যসেবার এক অবাধ নেটওয়ার্ক স্থাপিত হয়েছে। এটি এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর। কারণ টেকসই উন্নয়ন বলতে কোনো একটি ক্ষেত্রের উন্নয়নকে বোঝায় না। এজন্য অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে বিশ্লেষণপূর্বক টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচিতে দ্রুত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আবশ্যক। শুধু তাই নয় এর ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য এ বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকের উদ্যোগটি টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম সফল করতে সহায়ক।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!