২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক অস্থিরতা রোধের জন্য আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটায়।
যেকোনো দেশেই নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী দল থাকতে পারে যারা জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের পথে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ যদি শক্তিশালী হয় তাহলে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় এড়ানো সম্ভব। এ কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হওয়া প্রয়োজন।
উদ্দীপকের উদ্যোগটি জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) কার্যক্রম সফল করতে সহায়ক।
বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট হাতে নিয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে নানামুখী বাধার সম্মুখীন হতে হবে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেশ কিছু করণীয় রয়েছে। যার মধ্যে অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিতকরণ অন্যতম।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ স্থাপনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে সারা বাংলাদেশের মানুষ তথ্য আদান প্রদানের উন্মুক্ত সুবিধা লাভ করেছে। বিশ্বে বাংলাদেশের তথ্যসেবার এক অবাধ নেটওয়ার্ক স্থাপিত হয়েছে। এটি এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অত্যন্ত কার্যকর। কারণ টেকসই উন্নয়ন বলতে কোনো একটি ক্ষেত্রের উন্নয়নকে বোঝায় না। এজন্য অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে বিশ্লেষণপূর্বক টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচিতে দ্রুত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আবশ্যক। শুধু তাই নয় এর ব্যবহার নিশ্চিতের জন্য এ বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ কারণে বলা যায়, উদ্দীপকের উদ্যোগটি টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম সফল করতে সহায়ক।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে উক্ত কার্যক্রম সফল করার জন্য উদ্দীপকের বিষয়টিকে আমি যথেষ্ট মনে করি না।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এসডিজি বাস্তবায়ন করতে হলে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। এ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেশ কিছু করণীয় রয়েছে। এসডিজি বাস্তবায়নে সব ক্ষেত্রে বৈষম্য সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা জরুরি। এক্ষেত্রে আয়, ভোেগ, জেন্ডার, অঞ্চল ও সম্পদ বৈষম্য যথাসম্ভব কমিয়ে এনে সকল ক্ষেত্রের দরিদ্রতার অবসান ঘটাতে হবে। এ লক্ষ্যে যথাযথ কৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সরকার ও অন্যান্য পর্যায়ের অংশীজনকে সাথে নিয়ে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ ও
বাস্তবায়ন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল থেকে সম্পদ আহরণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে প্রয়োজনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সম্পদের ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে। এতে তারা নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সম্পদ সংগ্রহের পাশাপাশি সমাজ এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
নীতিকাঠামোগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থ-সামাজিক পরিবেশ সমৃদ্ধ করতে হবে। একইসাথে
| পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে মনিটরিং ও মেনটরিং এর ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কথা বলা হয়েছে যার মাধ্যমে এদেশে তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত হবে। এটি এসডিজি বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কিন্তু এসডিজি কার্যক্রম সফল করতে উপরে বর্ণিত বিষয়গুলোও অপরিহার্য।
উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ছাড়াও উন্নয়নের ক্ষেত্র বিবেচনা করে এসডিজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবার এগিয়ে আসতে হবে। তাই আমি মনে করি উদ্দীপকে
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!