'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় পিতৃব্য বিভীষণের বৈরিতার কারণে বিপদাপন্ন মেঘনাদের অসহায়ত্ব ও ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় বিশ্বাসঘাতক পিতৃব্য বিভীষণের প্রতি অসহায় মেঘনাদের বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে। কবিতাটিতে মেঘনাদকে উপস্থাপন করা হয়েছে একজন দেশপ্রেমী বীরযোদ্ধা হিসেবে। নিজ চাচা বিভীষণের কারণেই অসহায়ত্বের শিকার হতে হয় তাকে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে পিতার হত্যাকারীদের প্রতি সন্তানের অসামান্য ক্ষোভ ও অসহায়ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আলোচ্য কবিতাংশের বস্তা প্রতিশোধ গ্রহণের শপথ নিলেও তাদের অন্যায় আক্রমণ থেকে তিনি তাঁর পিতাকে রক্ষা করতে পারেননি। সন্তান হিসেবে তাঁর এই অপারগতা তাকে প্রতিনিয়ত বিদ্ধ করছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশিত তাঁর এই ক্ষোভ ও অসহায়ত্বের দিকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায়ও পরিলক্ষিত হয়।
ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদের সঙ্গে বিভীষণের আদর্শের দ্বন্দ্বই 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূল বিষয়। আদর্শ আর নৈতিকতার এই দ্বন্দ্বে মেঘনাদ স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষ নেয়। তবে শত্রুপক্ষের সহযোগী হিসেবে পিতৃব্য বিভীষণের ষড়যন্ত্র তাকে বিপদাপন্ন করে। কেননা, আপনজন ছাড়া মেঘনাদের নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে গোপন ও নিরস্ত্র অবস্থানের কথা শত্রুর পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না। পিতৃতুল্য বিভীষণের এমন ঘৃণ্য আচরণের কারণেই অসহায় অবস্থায় পতিত হতে হয় বীর মেঘনাদকে। একইভাবে, উদ্দীপকের বস্তার পিতৃহারা হওয়ার কারণও নিকটজনদের বিশ্বাসঘাতকতা
ও শত্রুসুলভ আচরণ। আর তাই পিতাকে শত্রুর আক্রমণ থেকে বাঁচাতে না পারার ব্যর্থতা ও হাহাকার উদ্দীপকের কবিতাংশজুড়ে উপস্থাপিত হয়েছে। সেদিক বিবেচনায়, উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা অসহায়ত্বের দিকটি আলোচ্য কবিতার মেঘনাদ ও বিভীষণের অন্তর্দ্বন্দ্বের পরিপ্রেক্ষিতে যথার্থ।
Related Question
View Allসৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!