পিতা, জেনে যাও তোমার এ অবিবেকী অন্যায় হত্যার

রক্তঘাতী বিনিময় হবে।

তোমার সে অগাধ বিশ্বাস, প্রেম,

রাজধর্ম, উদার ঈর্ষিত বিশালতা

কালকূট হয়ে দ্যাখো তোমাকেই করেছে আঘাত!

হায় মানবিক কৃতঘ্নতা!

পশু আর প্রিয়তমা এক হয়ে গেছে মহত্ত্বের স্নায়ু ছিঁড়ে নিতে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

তস্কর' শব্দের অর্থ- চোর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ব্যক্তিমর্যাদা ভুলে বিভীষণ নিজেকে রামের দাস হিসেবে অভিহিত করায় লজ্জায়, ক্ষোভে মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছা হলো।
মেঘনাদের সঙ্গে কথোপকথনের মাঝে বিভীষণ নিজেকে 'রাঘব-দাস' অর্থাৎ রামের দাস হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি আরও বলেন, রামের বিপক্ষে কোনো কাজ তিনি করতে পারবেন না। এ কথা শুনে বিস্মিত হয় মেঘনাদ। সে ভাবে কীভাবে নিজের বংশ-মর্যাদা ভুলে বিভীষণ এমন কথা বললেন। আর তা থেকে লজ্জায়, ক্ষোভে মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছা হলো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশিত ক্ষোভের দিকটি বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার পরিপ্রেক্ষিতে মেঘনাদের বক্তব্যের ভেতর দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় মেঘনাদ ষড়যন্ত্রের শিকার এক বীরযোদ্ধা। এই ষড়যন্ত্র বাইরের কোনো শত্রুর নয়, বরং স্বজনের চক্রান্তই মেঘনাদকে বিপদাপন্ন করেছে। কেননা, তার পিতৃব্য বিভীষণ শত্রু লক্ষ্মণের সাথে আঁতাত করে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল।
উদ্দীপকের কবিতাংশে পিতৃহারা সন্তানের যন্ত্রণার এক মর্মস্পর্শী ঘটনা বিধৃত হয়েছে। সেখানে বস্তার পিতা বিশ্বাস আর প্রেমের বিপরীতে হিংসার শিকার হয়েছেন। ঘনিষ্ঠজনদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে কঠিন মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে তাঁকে। সংগত কারণেই পুরো কবিতাংশটি জুড়ে পিতার হত্যাকারী কৃতঘ্ন ব্যক্তিদের প্রতি তাঁর সীমাহীন ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে। একইভাবে, 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মেঘনাদকেও আপনজনের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বিপদাপন্ন হতে হয়েছে। শত্রুর সাথে আঁতাত করে নিজের চাচা বিভীষণই তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন। পিতৃব্য বিভীষণের এমন হীন কাজের জন্য অসহায় ও বিপদাপন্ন মেঘনাদের কণ্ঠে ক্ষোভ প্রকাশিত হওয়াই স্বাভাবিক ছিল। এভাবে উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশিত ক্ষোড়ের দিকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার পরিপ্রেক্ষিতেই এসেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় পিতৃব্য বিভীষণের বৈরিতার কারণে বিপদাপন্ন মেঘনাদের অসহায়ত্ব ও ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় বিশ্বাসঘাতক পিতৃব্য বিভীষণের প্রতি অসহায় মেঘনাদের বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে। কবিতাটিতে মেঘনাদকে উপস্থাপন করা হয়েছে একজন দেশপ্রেমী বীরযোদ্ধা হিসেবে। নিজ চাচা বিভীষণের কারণেই অসহায়ত্বের শিকার হতে হয় তাকে।
উদ্দীপকের কবিতাংশে পিতার হত্যাকারীদের প্রতি সন্তানের অসামান্য ক্ষোভ ও অসহায়ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আলোচ্য কবিতাংশের বস্তা প্রতিশোধ গ্রহণের শপথ নিলেও তাদের অন্যায় আক্রমণ থেকে তিনি তাঁর পিতাকে রক্ষা করতে পারেননি। সন্তান হিসেবে তাঁর এই অপারগতা তাকে প্রতিনিয়ত বিদ্ধ করছে। উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রকাশিত তাঁর এই ক্ষোভ ও অসহায়ত্বের দিকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায়ও পরিলক্ষিত হয়।

ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদের সঙ্গে বিভীষণের আদর্শের দ্বন্দ্বই 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূল বিষয়। আদর্শ আর নৈতিকতার এই দ্বন্দ্বে মেঘনাদ স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষ নেয়। তবে শত্রুপক্ষের সহযোগী হিসেবে পিতৃব্য বিভীষণের ষড়যন্ত্র তাকে বিপদাপন্ন করে। কেননা, আপনজন ছাড়া মেঘনাদের নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে গোপন ও নিরস্ত্র অবস্থানের কথা শত্রুর পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না। পিতৃতুল্য বিভীষণের এমন ঘৃণ্য আচরণের কারণেই অসহায় অবস্থায় পতিত হতে হয় বীর মেঘনাদকে। একইভাবে, উদ্দীপকের বস্তার পিতৃহারা হওয়ার কারণও নিকটজনদের বিশ্বাসঘাতকতা
ও শত্রুসুলভ আচরণ। আর তাই পিতাকে শত্রুর আক্রমণ থেকে বাঁচাতে না পারার ব্যর্থতা ও হাহাকার উদ্দীপকের কবিতাংশজুড়ে উপস্থাপিত হয়েছে। সেদিক বিবেচনায়, উদ্দীপকের কবিতাংশে ফুটে ওঠা অসহায়ত্বের দিকটি আলোচ্য কবিতার মেঘনাদ ও বিভীষণের অন্তর্দ্বন্দ্বের পরিপ্রেক্ষিতে যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
21


“এতক্ষণে”- অরিন্দম কহিলা বিষাদে-
“জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল
 রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব
 এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,
 সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ
 কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! 
নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
 চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
 কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি
 পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,
পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,
লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।”
উত্তরিলা বিভীষণ, “বৃথা এ সাধনা,
ধীমান্! রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে
 তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে 
অনুরোধ?” উত্তরিলা কাতরে রাবণি;-
“হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!
 রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে
 আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে ! 
স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;
 পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি
 ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে
 কে তুমি? জনম তব কোন মহাকুলে?
 কে বা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে 
করে কেলি রাজহংস পঙ্কজ-কাননে; 
যায় কি সে কভু, প্ৰভু, পঙ্কিল সলিলে,
 শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী,
 কবে, হে বীরকেশরী, সম্ভাষে শৃগালে 
মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,
 অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে ।
 ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ; নহিলে 
অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে? 
কহ, মহারথী, এ কি মহারথীপ্রথা ?
 নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে
 এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া
 এখনি! দেখিব আজি, কোন্ দেববলে,
 বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি! 
দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ, 
রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কী দেখি 
ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?
নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগভে পশিল 
দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে । 
তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে
বনবাসী! হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে
 ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্ৰফুল্ল কমলে
 কীটবাস? কহ তাত, সহিব কেমনে 
হেন অপমান আমি,— ভ্রাতৃ-পুত্র তব?
 তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
 মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী, 
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে 
তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা 
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি! 
বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে 
পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি 
বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে !
 রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী 
তেঁই আমি । পরদোষে কে চাহে মজিতে?”
 রুষিলা বাসবত্রাস। গম্ভীরে যেমতি 
নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্ৰ কোপি, 
কহিলা বীরেন্দ্র বলী,—“ধর্মপথগামী, 
হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে 
তুমি; – কোন্ ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,
 জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,—এ সকলে দিলা 
জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি 
পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি 
নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা! 
এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে? 
কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,
 হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে ? 
গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।” 
[নির্বাচিত অংশ]


 

Related Question

View All
উত্তরঃ

সৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।

Araf Rizvee
Araf Rizvee
2 years ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews