উদ্দীপকের চার্টটি তোমার পঠিত বইয়ে যে নির্বাচনকে নির্দেশ করে সেই নির্বাচনের গুরুত্ব বর্ণনা কর (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

১৯৫৪ সালের নির্বাচন ছিল মুসলিম লীগের অন্যায়, বৈসসমূলত, বর্ত শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ। এজলা এ নির্বাচনের পরত অপরিসীম।
যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের ফলে মুসলিম লীপের সুদীর্ঘ সাত বছরের কুলাসদ শোষণ ও অত্যাচারের সাময়িক অবসান ঘটে। পূর্ব বাংলার জলগণের কাছে এ নির্বাচন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কবল থেকে বৃক্তিলারের একলার উপায় বলে পরিগণিত হয়। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বাঙালির মনে করেছিল যে, এখন আর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তাদের দাবিতে রুখতে পারবে না। বাঙালিরা তখন থেকেই আত্মসচেতন হয়ে ওঠে এবং জলাবদ দাবি করে।
বাঙালি জাতি এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগকে বুঝিয়ে দেয় যে, অর পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগকে আর চায় না। যুক্তফ্রন্ট নেতৃবলের জারিয়াত বিশেষ করে তরুণ নেতৃত্বের জনপ্রিয়তা পূর্ব বাংলার ভবিষ্যৎ নেতৃত চেরির পথ সুগম করে। যুক্তফ্রন্টের রাজনৈতিক দলগুলোর সব্যে জওয়ানী সুলিচ লীগের সর্বোচ্চ আসন লান্ড ভবিষ্যতে তাসের পূর্ব বাংলায় বলিষ্ট সেতুর প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত বহন করে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার রাজ রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ ধারার সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি এ নির্বাচনের সাধ্যদে বুসলিম জীর্ণ ও অবাঙালি নেতৃত্বের প্রতি বাঙালির মনে ব্যাপক অনাস্থা জন্মায়। অরা বুরতে পারে, পশ্চিম পাকিস্তানি ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের ভারা কওলির রসূর মুক্তি সম্ভব নয়। ফলে বাংঙালি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিকিতে পূর্ববাংলার জনগণ স্বায়ত্তশাসনের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে।

171

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলা ভাষা যখন জাতীয় সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে তখন তাকে বাংলাভাষার আন্তর্জাতিকীকরণ বলে।
ভাষার দাবিতে জীবন বিসর্জন বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন কিন্তু বাঙালি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার সমুন্নত রাখার দাবিতে জীবন দিয়েছিল। তাই বাঙালির এই বৃহৎ ত্যাগকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা UNESCO ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

708
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মিলন চৌধুরীর নেতৃত্বে জোট গঠন আমাদেরকে ১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচন ও যুক্তফ্রন্ট গঠন ছিল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মূলত পূর্ব বাংলায় ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের শাসনের চরম ব্যর্থতার ফলে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি, নেজাম-ই-ইসলাম মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বরে। তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভকরে। আর ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সফিপুরের জাতীয় নির্বাচনে মিলন চৌধুরীর নেতৃত্বে ছোট ছোট বিভিন্ন উপদল জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনে ঐ জোট ব্যালট বিপ্লব ঘটিয়ে জয়লাভ করে। উদ্দীপকের এই নির্বাচন এবং উপরে আলোচিত নির্বাচনের প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ করলে একবাক্যে বলা যাবে উদ্দীপকের নির্বাচনটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের মিল রয়েছে।

343
উত্তরঃ

উক্ত নির্বাচনে অর্থাৎ ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের জোটের নেতৃত্বদানকারী দলের সৃষ্টি ছিল এক ঐতিহাসিক ঘটনা। কেননা এই নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বাঙালি সম্মিলিতভাবে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেছিল এবং জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছিল।
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগ প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীন দল হওয়া সত্ত্বেও জয়ী হতে পারেনি। মূলত ১৯৫৪ সালের নির্বাচন ছিল মুসলিম লীগের অন্যায় বৈষম্যমূলক, ব্যর্থ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ। বাঙালি জাতি এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগকে বুঝিয়ে দেয় যে, তারা পূর্ব বাংলার মুসলিম লীগকে আর চায় না। তারা যুক্তফ্রন্টের তরুণ নেতৃত্বের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। তারা ক্ষমতাসীন অত্যাচারীদের প্রতি ধিক্কার জানিয়েছিল তাদের ভোটের মাধ্যমে। বাঙালি ক্ষমতাসীন ও প্রভাবশালী মুসলিম লীগের ন্যাক্কারজনক শাসনের বিরুদ্ধে তাদের বিপ্লব ঘটিয়েছিল এই নির্বাচনের মাধ্যমে। ফলে এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগ ও অবাঙালি নেতৃত্বের প্রতি বাঙালিদের মনে ব্যাপক অনাস্থা জন্মায়। তারা বুঝতে পারে পশ্চিম পাকিস্তানি ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের দ্বারা বাঙালির প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়। ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলার জনগণ স্বায়ত্তশাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে।

251
উত্তরঃ

ভাষা আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।

316
উত্তরঃ

২২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ও ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে খুলনায় হরতাল ও প্রতিবাদ সভা ছিল খুলনা অঞ্চলের বৃহত্তর কর্মসূচি।
খুলনা অঞ্চলে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২৭ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর বাজারে জনসভা ও অপর এক জনসভা মিউনিসিপ্যাল পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। যাতে যোগদান করে প্রায় দশ হাজার লোক। ৫ মার্চ কেন্দ্রীয় নির্দেশ অনুসারে খুলনা শহর ও গ্রামাঞ্চলে ভাষা দিবস পালনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

227
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews