উদ্দীপকের প্রতিবাদী চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার গণজাগরণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ১৯৬৯ সালের গণজাগরণের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। পাকিস্তানি শাসকদের শোষণের হাত থেকে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করার জন্য আপামর বাঙালি জনসাধারণ প্রতিবাদমুখর হয়ে রাজপথে আন্দোলনে নেমেছিল। তাদের সেই আন্দোলন গণজোয়ারে পরিণত হয়েছিল এবং অত্যাচারী শাসকের ভিতকে নড়বড়ে করে দিয়েছিল।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রীণার প্রতিবাদমুখর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। বখাটের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রীণা আত্ম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার হয়েছিল, তার ভেতরকার সংগ্রামী চেতনার জাগরণ ঘটেছিল। শুধু প্রতিবাদ করেই রীণা ক্ষ্যান্ত হয়নি বরং উত্ত্যক্তকারীদের জুতা দেখিয়ে অপমান করেছিল। হয়তো পরিণামে রীণাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল কিন্তু তার এই প্রতিবাদী চেতনা বখাটেদের ভিতকে নড়বড়ে করে দিয়েছিল। তাই সে মরে গিয়েও প্রতিবাদের এক মূর্ত প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকের রীণার সংগ্রামী চেতনার জাগরণের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার গণজাগরণ সাদৃশ্যপূর্ণ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!