প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথেই রুমার নজর পড়ে আমগাছটির দিকে। ওদিকে তাকাতেই তার মনে পড়ে তার প্রতিবাদী বুবুর কথা। কেননা ওই গাছটিতেই বুবু রীণার গলায় দড়ি দেওয়া লাশ পাওয়া গিয়েছিল। কয়েকটা বখাটে যুবক তাকে প্রায়ই বিরক্ত করত। তাই একদিন সে প্রতিবাদ করেছিল এবং জুতা দেখিয়েছিল। সেই কারণে পরের দিনই তার প্রতিবাদী বুবু রীণার লাশ ওই গাছটাতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

শহরের পথে থরে থরে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

এখানে মূলত ভাষা শহিদদের বাঙালি জাতিসত্তার প্রাণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় দেশপ্রেম, গণজাগরণ ও বাঙালি জাতির সংগ্রামী চেতনার চিত্র ফুটে উঠেছে। আলোচ্য কবিতায় কবির কাছে মনে হয়েছে ভাষা শহিদদের রক্তের বুদ্‌বুদ কৃষ্ণচূড়া ফুল হয়ে শহরের পথে পথে ফুটে আছে। কৃষ্ণচূড়ার লাল রং যে বাঙালি জাতির চেতনার রং। ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন সেই বীরের রক্তে, সন্তানহারা মায়ের চোখের জলে যে চেতনাদীপ্ত ফুল ফোটে তা কবির কাছে প্রাণস্বরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রতিবাদী চেতনা 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার গণজাগরণের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় ১৯৬৯ সালের গণজাগরণের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। পাকিস্তানি শাসকদের শোষণের হাত থেকে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করার জন্য আপামর বাঙালি জনসাধারণ প্রতিবাদমুখর হয়ে রাজপথে আন্দোলনে নেমেছিল। তাদের সেই আন্দোলন গণজোয়ারে পরিণত হয়েছিল এবং অত্যাচারী শাসকের ভিতকে নড়বড়ে করে দিয়েছিল।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রীণার প্রতিবাদমুখর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। বখাটের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রীণা আত্ম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার হয়েছিল, তার ভেতরকার সংগ্রামী চেতনার জাগরণ ঘটেছিল। শুধু প্রতিবাদ করেই রীণা ক্ষ্যান্ত হয়নি বরং উত্ত্যক্তকারীদের জুতা দেখিয়ে অপমান করেছিল। হয়তো পরিণামে রীণাকে প্রাণ দিতে হয়েছিল কিন্তু তার এই প্রতিবাদী চেতনা বখাটেদের ভিতকে নড়বড়ে করে দিয়েছিল। তাই সে মরে গিয়েও প্রতিবাদের এক মূর্ত প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং দেখা যায়, উদ্দীপকের রীণার সংগ্রামী চেতনার জাগরণের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার গণজাগরণ সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আত্মত্যাগের মহান চেতনা ধারণ করায় উদ্দীপকের রীণা আর 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার শহিদেরা একই প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক বলে আমি মনে করি।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় দেখা যায়, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বাঙালি জাতি জেগে উঠেছিল। শাসকদের অত্যাচার, শোষণ, জুলুম, নির্যাতন ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার জন্য জনগণ সংগ্রামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছিল। এতে শাসকের ভিত নড়লেও বহু লোককে ঘাতকের হাতে মরতে হয়েছিল। অন্যায়-অবিচার ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে মৃত এই শহিদেরা প্রতিবাদের এক মূর্ত প্রতীকে পরিণত হয়েছিল।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অপশক্তির বিরুদ্ধে রীণা এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। বখাটে যুবকের অন্যায় আচরণ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি সে। সাহসকে শক্তিতে পরিণত করে তাই সে বখাটের বিরুদ্ধে শুধু প্রতিবাদমুখর হয়ে দাঁড়ায়নি; বরং জুতা দেখিয়ে অপমান করেছিল। পরিণামে সেই বখাটেদের হাতে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হলেও সে প্রকৃতপক্ষে হয়ে ওঠে শত নারী জাগরণের মূর্ত প্রতীক।
উপর্যুক্ত আলোচনায় দেখা যায়, অন্যায়-অত্যাচারের প্রতিবাদ করতে কীভাবে জুলুম সহ্য করতে হয়। উদ্দীপকের রীণা বখাটে যুবকদের বিরুদ্ধে হয়ে ওঠে এক সাহসের নাম, শক্তির নাম। অন্যায় প্রতিহত করাই রীণার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার শহিদেরা যে অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদে জালিম শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে আত্মাহুতি দিয়েছিল; ঠিক একইভাবে রীণা বখাটে যুবকদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চেয়ে ঝুলন্ত লাশে পরিণত হয়েছিল। পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও উভয় ক্ষেত্রে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার ধরন প্রায় অভিন্ন। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
43

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
185
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews