উদ্দীপকে খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীকে টেকসই উন্নয়নের সুফল জানানোর মাধ্যমে অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। এ অংশীজনের অংশীদারিত্বই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে।
উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। উদ্দীপকের গবেষক জামিল আহমেদ সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। সমাজের এ স্তরের মানুষেরা জীবিকা নির্বাহ করতে পারলেই সন্তুষ্ট। টেকসই উন্নয়নের ব্যাপারে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই, যা উদ্দীপক থেকে জানা যায়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ অর্জন করতে হলে অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়ায় সমাজের উঁচুতলার সঙ্গে সাধারণ - মানুষকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ফরে সাধারণ মানুষ এসডিজি অর্জনে
তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন হবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে সামনে অগ্রসর হলে সেই উন্নয়ন টেকসই হবে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর মতো সাধারণ মানুষকে টেকসই উন্নয়নের সুফল এবং এ প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করার মাধ্যমে অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!