এসডিজি এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ সাধন।
এসডিজি অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সমৃদ্ধশালী হতে পারবে বলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এসডিজি অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ।
এসডিজি অর্জনের ফলে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের অবসান ঘটবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নারী-পুরুষ বৈষম্য দূর হবে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, জ্ঞানচর্চার দ্বার উন্মোচিত হবে। যোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উন্নতির ফলে বিশ্বে বাস করার সকল সুযোগ-সুবিধা আমাদের দোরগোড়ায় পৌছে যাবে। ফলে আমরা সমৃদ্ধ ও উন্নত জাতিতে পরিণত হবো। এজন্য বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এসডিজি অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীকে টেকসই উন্নয়নের সুফল জানানোর মাধ্যমে অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। এ অংশীজনের অংশীদারিত্বই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে।
উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। উদ্দীপকের গবেষক জামিল আহমেদ সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। সমাজের এ স্তরের মানুষেরা জীবিকা নির্বাহ করতে পারলেই সন্তুষ্ট। টেকসই উন্নয়নের ব্যাপারে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই, যা উদ্দীপক থেকে জানা যায়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ অর্জন করতে হলে অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়ায় সমাজের উঁচুতলার সঙ্গে সাধারণ - মানুষকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ফরে সাধারণ মানুষ এসডিজি অর্জনে
তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন হবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে সামনে অগ্রসর হলে সেই উন্নয়ন টেকসই হবে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর মতো সাধারণ মানুষকে টেকসই উন্নয়নের সুফল এবং এ প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করার মাধ্যমে অংশীদারিত্বের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
হ্যাঁ, আমি মনে করি, উদ্দীপকের জামিল আহমেদের পরিচালিত জরিপ টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এমডিজি অর্জনের পর এসডিজি অর্জনে জাতিসংঘের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করতে হলে উন্নয়ন কার্যক্রমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
উদ্দীপকের জামিল একজন গবেষক। তার পরিচালিত জরিপ প্রমাণ করে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ অর্জনে সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের ভূমিকা একদম নিষ্ক্রিয়। তাদের কাছে মৌলিক চাহিদা পূরণ হওয়া এবং জীবিকা নির্বাহ হওয়াই আসল কথা। কিন্তু টেকসই উন্নয়নের জন্য এটি অত্যন্ত নেতিবাচক। কেননা সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ব্যতীত উন্নয়ন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সমাজের খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষের কাছে গিয়ে তাদেরকে এ ব্যাপারে জানানো প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়নে তাদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা এবং সুফলগুলো তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। তাদের মধ্যে জরিপ চালিয়ে, তাদের কাছাকাছি গিয়ে এবং মতামত সংগ্রহ করার মাধ্যমে তাদেরকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের অংশীদার করা যায়।
উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জামিল আহমেদের পরিচালিত জরিপ টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!