জাহিদ হাওলাদারের কম বেতন পাওয়ার কারণ হলো নিরক্ষরতা।
নিরক্ষরতা বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা। নিরক্ষরতা আরও অনেক সামাজিক সমস্যার জন্যেও দায়ী। বস্তুত নিরক্ষরতার পরিণাম। ও প্রভাব এতই সুদূরপ্রসারী এবং সর্বব্যাপী যে, নিরক্ষরতাকে একটি অভিশাপ বলেও বর্ণনা করা হয়। আক্ষরিক অর্থে অবশ্য নিরক্ষরতা বলতে অক্ষর জ্ঞানহীনতাকেই বোঝায়। এ অর্থে নিরক্ষর হচ্ছে সেই ব্যক্তি যার মধ্যে অক্ষর জ্ঞান নেই। বস্তুত অক্ষরজ্ঞান না থাকার অর্থ অক্ষরের সঙ্গে পরিচয় না থাকা এবং অক্ষরের ব্যবহার না জানা। অতএব, নিরক্ষর হলো সেই ব্যক্তি যে লিখতে ও পড়তে জানে না। ইউনেস্কোর সংজ্ঞা মোতাবেক, সে ব্যক্তিই নিরক্ষর যে তার দৈনন্দিন জীবনের কোনো ক্ষুদ্র ও সাধারণ বক্তব্য উপলব্ধিসহ পড়তে ও লিখতে অক্ষম।
উদ্দীপকের জাহিদ হাওলাদার সন্তা কৃষি মজুরিতে জীবনযাপন কষ্টকর হওয়ায় শহরে চলে আসেন এবং এখানে এসে একটি কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের কার্টন বহনের কাজ নেন। কিন্তু কাজের সঠিক হিসাব না রাখতে পারায় প্রতিনিয়ত ঠকছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে জাহিদ হাওলাদারের কম বেতন পাওয়ার কারণ হলো নিরক্ষরতা।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!