উদ্দীপকের নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিশেষ দিককে ইকিাত করে? বর্ণনা করো। (প্রয়োগ)

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর দেহগতভাবে বেঁচে না থাকা সত্ত্বেও তাঁর কর্মের মাধ্যমে অমর হয়ে থাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কবিতার সেই বিশেষ দিকটিকে ইঙ্গিত করে যেখানে ব্যক্তি নশ্বর হলেও তার সৃষ্টিকর্ম বা অবদান অমর হয়ে থাকে।

'সোনার তরী' কবিতায় দেখা যায়, কৃষক তার উৎপাদিত সোনার ফসল নৌকার মাঝিকে তুলে দেয়, কিন্তু কৃষককে নৌকায় জায়গা দেওয়া হয় না। এখানে সোনার ফসল মানবজাতির জন্য কৃষকের মহৎ কর্মের প্রতীক এবং মাঝি হচ্ছে কাল বা সময়ের প্রতীক। এর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ব্যক্তি মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু তার সৃষ্ট মহৎ কর্ম বা অবদান কালের মহাযাত্রায় বিলীন না হয়ে চিরকাল টিকে থাকে।

নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী তাঁর ওয়াকফনামা দলিলে মানবদেহের ক্ষণভঙ্গুরতা উপলব্ধি করে নিজের অবশিষ্ট জীবন ঈশ্বরের উপাসনা ও সম্পত্তির উপস্বত্ব ধর্ম ও সৎকার্যে ব্যয়ের সংকল্প ব্যক্ত করেছিলেন। তাঁর নারী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনহিতকর কাজগুলোই হলো তাঁর 'সোনার ফসল'। উদ্দীপকে বর্ণিত তাঁর 'দেহগতভাবে' বেঁচে না থাকা সত্ত্বেও কর্মের মধ্য দিয়ে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকার বিষয়টি 'সোনার তরী' কবিতার এই বার্তাই বহন করে যে, ব্যক্তি মানুষ মরণশীল হলেও তার মহৎ কর্ম তাকে অমরত্ব দান করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
143


গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। 
কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা। 
রাশি রাশি ভারা ভারা
 ধান কাটা হলো সারা,
 ভরা নদী ক্ষুরধারা 
খরপরশা-
কাটিতে কাটিতে ধান এল বরষা ৷৷ 
একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা- 
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা ॥ 
পরপারে দেখি আঁকা 
তরুছায়ামসী-মাখা 
গ্রামখানি মেঘে ঢাকা
প্রভাতবেলা- 
এপারেতে ছোটো খেত, আমি একেলা ৷৷ 
গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! 
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে । 
ভরা পালে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
ঢেউগুলি নিরুপায়
ভাঙে দু ধারে-
দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ৷।
ওগো, তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? 
বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।
যারে খুশি তারে দাও -
যেয়ো যেথা যেতে চাও,
শুধু তুমি নিয়ে যাও
ক্ষণিক হেসে
আমার সোনার ধান কূলেতে এসে ॥
যত চাও তত লও তরণী-পরে ।
আর আছে— আর নাই, দিয়েছি ভরে ॥
এতকাল নদীকূলে
যাহা লয়ে ছিনু ভুলে
সকলি দিলাম তুলে
থরে বিথরে- 
এখন আমারে লহো করুণা করে ৷৷
ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই— ছোটো সে তরী 
আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।
শ্রাবণগগন ঘিরে
ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে
রহিনু পড়ি-
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী ।।

Related Question

View All
উত্তরঃ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

"আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি" চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সোনার তরী" কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর আক্ষরিক অর্থ হলো, কৃষকের ক্ষেতে ফলানো সোনালি ধানে তার নৌকা ভরে উঠেছে, যা তার পরিশ্রম ও সাফল্যের চরম প্রকাশ। এটি কৃষকের জীবনে প্রাচুর্য ও ফসল তোলার আনন্দকে নির্দেশ করে।

তবে, অনুধাবনমূলক অর্থে এই চরণটি গভীর প্রতীকি ব্যঞ্জনা বহন করে। এর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, একজন মানুষের সৃষ্টিকর্ম বা মহৎ অবদান তার নিজস্ব জীবনের চেয়েও অধিক মূল্যবান ও স্থায়ী। কৃষক যেমন তার সোনার ধান নৌকায় তুলে দিতে পারলেও নিজে পারে না, তেমনি সৃষ্টিশীল ব্যক্তি তার সৃষ্টিকে কালের প্রবাহে অমরত্ব দিতে পারলেও ব্যক্তি হিসেবে নিজে চিরস্থায়ী হতে পারেন না। এই চরণটি সৃষ্টি ও স্রষ্টার মাঝে এক অমোঘ বিচ্ছিন্নতার ইঙ্গিত দেয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

‘সোনার তরী’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো সৃষ্টির অমরত্ব ও স্রষ্টার নশ্বরতা। কবি উপলব্ধি করেছেন যে, নশ্বর পৃথিবীতে মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী হলেও তার সৃষ্টিকর্ম কালের প্রবাহে অমরত্ব লাভ করে এবং টিকে থাকে।

উদ্দীপকে বর্ণিত গানটিতে সৃষ্টির কাছে স্রষ্টার গৌণ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, মানুষকে নয়, তার গানকে ভালোবাসতে; পাখি নয়, তার গান স্মরণীয়; চাঁদ নয়, তার জোছনা কাম্য এবং গান শেষে বীণার মূল্যহীন হয়ে পড়ে থাকা। এই পঙক্তিগুলো সুস্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, ব্যক্তি মানুষ মরণশীল হলেও তার সৃষ্টিকর্ম কালের বুকে অক্ষয় হয়ে থাকে, যা প্রকৃত অর্থে চিরকাল মানুষের কাছে আদৃত হয়।

‘সোনার তরী’ কবিতায়ও কবি দেখিয়েছেন যে, একজন কৃষক তার ধান নিয়ে তরী পার হতে চাইলেও তার ব্যক্তিগত অস্তিত্বের ঠাঁই হয় না, কেবল তার সৃষ্ট ধানই তরী বহন করে নিয়ে যায়। উদ্দীপকের গানের এই গভীর বার্তা অর্থাৎ, ব্যক্তিগত সত্তার ক্ষণস্থায়িত্ব এবং সৃষ্টিকর্মের অনন্ত প্রবাহ ‘সোনার তরী’ কবিতার এই মর্মবাণীকেই সমর্থন করে। উভয় ক্ষেত্রেই স্রষ্টা তার সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করলেও, তার নশ্বর সত্তা কালের অতল গহ্বরে বিলীন হয়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
141
উত্তরঃ

"আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি" চরণটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "সোনার তরী" কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর আক্ষরিক অর্থ হলো, কৃষকের ক্ষেতে ফলানো সোনালি ধানে তার নৌকা ভরে উঠেছে, যা তার পরিশ্রম ও সাফল্যের চরম প্রকাশ। এটি কৃষকের জীবনে প্রাচুর্য ও ফসল তোলার আনন্দকে নির্দেশ করে।

তবে, অনুধাবনমূলক অর্থে এই চরণটি গভীর প্রতীকি ব্যঞ্জনা বহন করে। এর মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, একজন মানুষের সৃষ্টিকর্ম বা মহৎ অবদান তার নিজস্ব জীবনের চেয়েও অধিক মূল্যবান ও স্থায়ী। কৃষক যেমন তার সোনার ধান নৌকায় তুলে দিতে পারলেও নিজে পারে না, তেমনি সৃষ্টিশীল ব্যক্তি তার সৃষ্টিকে কালের প্রবাহে অমরত্ব দিতে পারলেও ব্যক্তি হিসেবে নিজে চিরস্থায়ী হতে পারেন না। এই চরণটি সৃষ্টি ও স্রষ্টার মাঝে এক অমোঘ বিচ্ছিন্নতার ইঙ্গিত দেয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
670
উত্তরঃ

‘সোনার তরী’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো সৃষ্টির অমরত্ব ও স্রষ্টার নশ্বরতা। কবি উপলব্ধি করেছেন যে, নশ্বর পৃথিবীতে মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী হলেও তার সৃষ্টিকর্ম কালের প্রবাহে অমরত্ব লাভ করে এবং টিকে থাকে।

উদ্দীপকে বর্ণিত গানটিতে সৃষ্টির কাছে স্রষ্টার গৌণ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, মানুষকে নয়, তার গানকে ভালোবাসতে; পাখি নয়, তার গান স্মরণীয়; চাঁদ নয়, তার জোছনা কাম্য এবং গান শেষে বীণার মূল্যহীন হয়ে পড়ে থাকা। এই পঙক্তিগুলো সুস্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, ব্যক্তি মানুষ মরণশীল হলেও তার সৃষ্টিকর্ম কালের বুকে অক্ষয় হয়ে থাকে, যা প্রকৃত অর্থে চিরকাল মানুষের কাছে আদৃত হয়।

‘সোনার তরী’ কবিতায়ও কবি দেখিয়েছেন যে, একজন কৃষক তার ধান নিয়ে তরী পার হতে চাইলেও তার ব্যক্তিগত অস্তিত্বের ঠাঁই হয় না, কেবল তার সৃষ্ট ধানই তরী বহন করে নিয়ে যায়। উদ্দীপকের গানের এই গভীর বার্তা অর্থাৎ, ব্যক্তিগত সত্তার ক্ষণস্থায়িত্ব এবং সৃষ্টিকর্মের অনন্ত প্রবাহ ‘সোনার তরী’ কবিতার এই মর্মবাণীকেই সমর্থন করে। উভয় ক্ষেত্রেই স্রষ্টা তার সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করলেও, তার নশ্বর সত্তা কালের অতল গহ্বরে বিলীন হয়ে যায়।

Satt AI
Satt AI
1 day ago
773
উত্তরঃ বিশ্বভারতী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে অবস্থিত একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যে শিক্ষা ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন, তারই পরিবর্ধিত রূপ এই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি অনন্য শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির কাছাকাছি থেকে জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

একজন কৃষক দ্বীপসদৃশ ধানখেতে তার সােনার ফসল নিয়ে অপেক্ষা করছে। ঘন বর্ষা আর তীব্র সােতের কারণে তীরে যাওয়ারও কোনাে ভরসা নেই— এ কথা বােঝাতেই উক্তিটি করা হয়েছে। ‘সােনার তরী’ কবিতায় কবির জীবনদর্শন চিত্রায়িত হয়েছে।

কবিতায় একজন কৃষক তার ধান নিয়ে ক্ষুরের মতাে ধারালাে বর্ষার স্রোতে ঘেরা দ্বীপসদৃশ ধানখেতে নানা আশঙ্কা নিয়ে অপেক্ষা করছে। সে সেখানে নিঃসঙ্গ, কারও কোনাে দেখা নেই। আকাশে ঘন ঘন মেঘ গর্জন করছে। এমন বৈরী পরিবেশে কৃষকরূপী কবি নিজের নিঃসঙ্গতা ও ভরসাহীনতাকে বােঝাতে গিয়ে কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা’ কথাটি বলেছেন। সারকথা : প্রশ্নোক্ত লাইনের মধ্য দিয়ে বৈরী পরিবেশে নিঃসঙ্গ এক কৃষকের ভরসাহীন অবস্থার কথা প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তরঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'সোনার তরী' কবিতার মূল উপজীব্য হলো নশ্বর মানবজীবনের মাঝে অবিনশ্বর সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখা। মহাকালের নিষ্ঠুর স্রোতে মানুষ হারিয়ে যায়, কিন্তু তার মহৎ কর্ম চিরকাল বেঁচে থাকে। এই কবিতায় কৃষক তার উৎপাদিত সোনার ফসল নৌকায় তুলে দিতে পারলেও নিজে ঠাঁই পায় না, যা মূলত সৃষ্টির অমরত্ব ও স্রষ্টার নশ্বরতার প্রতীক।

উদ্দীপকের বিদ্যানন্দ চরিত্রটি 'সোনার তরী' কবিতার এই মূলভাবের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। বিদ্যানন্দ বহু কষ্টে, প্রতিকূলতা সত্ত্বেও একটি বিখ্যাত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। সমাজের বিরোধিতা ও সহযোগিতার অভাব সত্ত্বেও তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে এই বিদ্যালয়টি গড়ে তোলেন। এই বিদ্যালয়টি তার জীবনের মহৎ সৃষ্টি, যা সমাজের জন্য কল্যাণকর।

'সোনার তরী' কবিতার সেই কৃষকের সাথে বিদ্যানন্দের সম্পর্ক গভীর। যেমন কৃষকের উৎপাদিত সোনার ফসল কালের খেয়ায় স্থান পায় কিন্তু কৃষক নিজে ঠাঁই পায় না, তেমনি বিদ্যানন্দ তার প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের সবটুকু সম্মান পাননি এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর কর্ম সমাজে পথ খুঁজে নিয়েছে। অর্থাৎ, বিদ্যানন্দ তার অমর সৃষ্টিকে (বিদ্যালয়) রেখে নশ্বর জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটান, ঠিক যেমন কৃষক তার সোনার ফসলকে তরী ভর্তি করে পাঠালেও নিজে স্থান পান না। এভাবেই বিদ্যানন্দ চরিত্রটি 'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে সৃষ্টির অমরত্ব ও স্রষ্টার নশ্বরতার দিক থেকে সম্পর্কিত।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
187
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews