উদ্দীপকের প্রতিবেদনে টেকসই অভীষ্ট অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের - অন্যতম চ্যালেঞ্জ সম্পদ বৈষম্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের পথে বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হলো সম্পদ বৈষম্য। আমাদের দেশে ক্রমাগত সম্পদ বৈষম্য বেড়েই চলেছে। সমাজে একশ্রেণির মানুষ ভূমি, নদী, বন এমনকি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান দখল করে অপরিমিত সম্পদের মালিক হয়েছে। তাদের আয় দিন দিন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় তেমন বাড়েনি। ফলে মানুষের মাঝে সম্পদের বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করেছে। উদ্দীপকের প্রতিবেদনেও এই বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে অতি ধনীর সংখ্যা বৃদ্ধির হারের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। সানেম এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান এর মতে, এতে নির্দিষ্ট শ্রেণির হাতে সম্পদের বড় অংশ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে যা সমাজে বৈষম্য বৃদ্ধি করছে। এ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশে অতি ধনীদের আয় ক্রমশ বাড়লেও অতি দরিদ্রদের আয় আরও কমছে। এই প্রতিবেদনটি উপরে বর্ণিত সম্পদ বৈষম্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের প্রতিবেদনে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অন্যতম বাধা সম্পদ বৈষম্য ফুটে উঠেছেd ivate
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!