উদ্দীপকে উল্লেখ করা প্রযুক্তিগুলো হলো টেলিভিশন ও স্মার্ট মোবাইল। এসব প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।
টেলিভিশন থেকে যে সমস্যা দেখা দিতে পারে সেগুলো প্রধানত শব্দ দূষণজনিত স্বাস্থ্যসমস্যা। অনেকেই খুব উচ্চ ভলিউমে টেলিভিশন ব্যবহার করে যার ফলে তার নিজের কানের যেমন সমস্যা হতে পারে তেমনি আশেপাশের মানুষেরও সমস্যা হতে পারে। বেশি শব্দের ফলে মাথাব্যথা, কানে কম শোনা এরকম স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়তে পারে। এছাড়া যারা দিনে তিন-চার ঘন্টা থেকে বেশি টিভি দেখে, তাদের মাথাব্যথা, নিদ্রাহীনতা, চোখে ব্যথা বা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়ার মতো সমস্যায় পড়তে পারে। এ প্রতিক্রিয়াগুলো শিশুদের জন্য অনেক বেশি হয়ে থাকে। তাদের বিকাশমান কোষের যথোপযুক্ত বিকাশে টেলিভিশন থেকে নিঃসৃত বিকিরণ যথেষ্ট ক্ষতি করতে পারে।
মোবাইল ফোন এন্টেনার সাহায্যে রেডিও কম্পাঙ্কে বিকিরণ প্রেরণ ও গ্রহণ করে। মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় এ এন্টেনাটি ব্যবহারকারীর মাথার খুব কাছে থাকে। ধারণা করা হয়, এই মাইক্রো তরঙ্গের ক্রমাগত ব্যবহার হয়তো মাথার ক্যান্সার রোগের সৃষ্টি করতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এ বিকিরণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা শিশুদের মস্তিষ্কের কোষ বিকাশে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার আশংকা অনেক বেড়ে যায়।
অতএব, টেলিভিশন ও মোবাইল প্রযুক্তির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!