উদ্দীপকের বস্তু বা পদার্থকে সম্পদ হিসেবে পরিগণিত করতে হলে তার স্বতন্ত্র কিছু গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। নিচে সম্পদের বৈশিষ্ট্য বা গুণ উল্লেখ করা হলো-
১. সম্পদের উপযোগিতা থাকতে হবে অর্থাৎ অভাব পূরণের ক্ষমতা থাকতে হবে।
২. সম্পদের কার্যকারিতা বা কাজ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। যেমন পানিকে যখন সেচের কাজে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে, শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখনই তা সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে।
৩. সম্পদের প্রয়োগযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি বস্তু থেকে অনেক কিছু তৈরি করা যায় এবং তা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলে তা সম্পদ। যেমন পানি থেকে বিদ্যুৎ যা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত। তাই পানি সম্পদ।
৪. সম্পদের চাহিদা সবার নিকট থাকতে হবে। চাহিদা থাকলেই তা সম্পদ বলে বিবেচিত হবে।
৫. সুগম্যতা অর্থাৎ সবার নিকট পৌছানো সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। যেমন- যদি কোনো সমুদ্রের গভীর নিচে পড়ে থাকা বস্তুকে তোলা সম্ভব না হয় অর্থাৎ মানুষের কাছে পৌছানো সম্ভব না হয় তাহলে এটি সম্পদ নয়।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের আবিষ্কৃত বস্তুটিতে উল্লেখিত বৈশিষ্ট্য বা গুণগুলো বিদ্যমান থাকলেই কেবল তা সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!