উদ্দীপকের বিষয়টি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ধারণার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? কেন এ ধারণার সৃষ্টি হয়েছিল? (প্রয়োগ)

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিষয়টি আমার পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদ প্রথার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত জুয়েলের গায়ের রং ফর্সা, তমালের গায়ের রং কালো। এ কারণে জুয়েল তমালকে ঘৃণার চোখে দেখে। জুয়েল মনে করে, তমালদের পূর্বপুরুষ নীচু জাতের। এজন্যই তমালের গায়ের রং কালো। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদ প্রথার সাদৃশ্য রয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের কারণে বর্ণবাদের ধারণার সৃষ্টি হয়। বর্ণবাদ মানব সমাজে বিদ্যমান একটি ঘৃণ্যপ্রথা। আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এ প্রথা মানবতাকে কলঙ্কিত করেছিল। শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে আধিপত্যের প্রতিযোগিতা উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের বীজ বপন করে দীর্ঘকাল টিকেছিল। বর্ণবাদের মর্মকথা হলো শ্বেতাঙ্গরা জন্মগতভাবে কৃষ্ণাঙ্গদের বা অন্যান্য জাতি অপেক্ষা উৎকৃষ্ট এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ওপর কর্তৃত্ব করার অধিকার আছে এবং তাদের প্রতি বৈষম্য আচরণ করা দোষের কিছু নয়।' পরিশেষে বলা যায়, উপনিবেশবাদ ও চরম জাতীয়তাবাদের ধারণা থেকেই বর্ণবাদের সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
158

ফ্রেডারিক উইলিয়াম দ্য ক্লার্ক (১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দ) (Frederik Willem de Klerk 1936): ফ্রেডারিক উইলিয়াম ডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের সমর্থক রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল পার্টির নেতা। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্ণবাদের সমর্থক সরকারের সর্বশেষ শ্বেতাঙ্গ রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্য দূরীকরণে সহায়তা করেন। সব বৈষম্য দূর করে রাষ্ট্রের সব নাগরিকের সমান অধিকার ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তিনিই প্রথম গ্রহণ করেন। শ্বেতাঙ্গ শাসনের সমর্থক রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল পার্টির দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকাকে বর্ণবৈষম্যহীন দেশরূপে গঠনের ঘোষণা দেন। তিনি ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের African National Congress (ANC) এবং The Communist Party of South Africa-এর উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেন।

নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্য রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্ত করে দেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত করে দেন। তার সময়কালকে বলা হয় ন্যাশনাল পার্টি ও আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের মধ্যে আলোচনার যুগ। ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে তার উদ্যোগে গণভোটের মাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বর্ণবৈষম্যের অবসান হয়। বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য তিনি ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্রের নতুন যুগের সূচনা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রেক্ষাপটে তারা এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন। ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে নেলসন ম্যান্ডেলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তিনি উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নেন। তিনি বিশ্বমানবতার কল্যাণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সভা, সমিতি ও সেমিনারে বক্তৃতা দেন। শ্বেতাঙ্গ হয়েও কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ে তার অবদান চিরস্মরণীয়।'

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (১৯২৯-১৯৬৮) (Martin Luther King Jr. (1929-1968): ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৮শে আগস্ট ওয়াশিংটনে লাখ লাখ মানুষের মিছিলে মার্টিন লুথার কিং-এর দেওয়া বক্তৃতা 'I have a dream...' কখনো ভোলার নয়। সেই বক্তৃতায় মার্টিন লুথার আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণায় সব মানুষের সমান অধিকারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "স্বাধীনতার শতবর্ষ পরেও মর্মান্তিক সত্য হচ্ছে, নিগ্রোরা আজও মুক্ত নয়। নিজ বাসভূমেই নিগ্রো মানুষেরা নির্জীব দশায় পড়ে আছে....।"
মার্টিন লুথার বলেন, "বন্ধুরা, বর্তমানের প্রতিকূলতা ও বাধা সত্ত্বেও আমি আজও স্বপ্ন দেখি। আমার এ স্বপ্নের শেকড় পাতা আমেরিকান স্বপ্নের গভীরে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এ জাতি জাগবে এবং বাঁচিয়ে রাখবে এ বিশ্বাস: আমার এ সত্যকে স্বতঃসিদ্ধভাবে গ্রহণ করেছি; সব মানুষ সমান।

আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন জর্জিয়ার লাল পাহাড়ে সাবেক দাস আর সাবেক দাস মালিকের সন্তানরা ভ্রাতৃত্বের এক টেবিলে বসতে সক্ষম হবে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন মরুময় মিসিসিপি রাজ্য, অবিচার আর নিপীড়নের উত্তাপে দম বন্ধ করা মিসিসিপি হয়ে উঠবে মুক্তি আর সুবিচারের মরূদ্যান। আমি স্বপ্ন দেখি, আমার চার সন্তান একদিন এমন এক জাতির মধ্যে বাস করবে, যেখানে তাদের চামড়ার রং দিয়ে নয় তাদের চরিত্রের গুণ দিয়ে তারা মূল্যায়িত হবে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন আলাবামা রাজ্যে সেখানকার গভর্নরের ঠোঁট থেকে কেবলই বিধিনিষেধ আর গঞ্জনার বাণী ঝরে সেখানকার পরিস্থিতি এমনভাবে বদলে যাবে যে, কালো বালক আর বালিকারা সাদা বালক আর বালিকাদের সঙ্গে ভাই-বোনের মতো হাত ধরাধরি করবে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন সব উপত্যকা উত্তীর্ণ হবে, সব পাহাড়-পর্বত হবে আনত, এবড়োখেবড়ো জমিন মসৃণ হবে, আঁকাবাঁকা জায়গাগুলো সমান হবে এবং ঈশ্বরের জয় উদ্ভাসিত হবে এবং একসঙ্গে সব মানব তা চাক্ষুষ করবে।
.... এ-ই আমার স্বপ্ন।"২

বিশ্বসভ্যতার এক নিন্দনীয় ও সমালোচনার বিষয় বর্ণবাদ, যা মানব ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। আফ্রিকার কালো মানুষেরাই বেশি বর্ণবৈষম্যের শিকার। শ্বেতকায় মানুষগুলো অশ্বেতকায় মানুষের প্রতি যে বৈষম্যমূলক ঘৃণ্য আচরণ করে তা-ই বর্ণবাদ। মানুষের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের একটি হচ্ছে তার ত্বক। চামড়ার বর্ণগত তারতম্যের কারণে কেউ সাদা, কেউ কালো, আবার কেউ বর্ণসংকর। নৃতাত্ত্বিকভাবে নরগোষ্ঠীকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ককেশয়েড, অস্ট্রালয়েড, মঙ্গোলয়েড এবং নিগ্রোয়েড। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ককেশয়েড অর্থাৎ শ্বেতাঙ্গরা অন্য বর্ণের বিশেষ করে নিগ্রোদের বা কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করে তা-ই বর্ণবাদ। এটি মনোচৈতন্যের একটি বিষয়। আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের উপর সাম্রাজ্যবাদী শক্তির জঘন্যতম নিষ্ঠুর প্রথাই বর্ণবাদ। একবিংশ শতাব্দীতে এসে মানবতাবিরোধী এ প্রথা থেকে মুক্তির আন্দোলনের অগ্রদূত ছিলেন মহাত্মা গান্ধী, যাকে অনুসরণ করেন বিশ্বমানবতার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা এবং আরেক জীবন্ত কিংবদন্তি ডেসমন্ড টুটু। এ মনীষীদের আন্দোলনে বর্ণবাদ আজ ইতিহাসের পাতায় আবদ্ধ। এ অধ্যায়ের বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎদের জানা শিক্ষার্থীদের জন্য অতি জরুরি। এতে তাদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জাগ্রত হবে। শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধ ও ইতিবাচক আচরণ সৃষ্টিতে এ অধ্যায়ের পাঠগুলো সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন-ড. সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী স্যারে এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার মন্টগোমারি রাজ্যের আটলান্টা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
229
উত্তরঃ

ফ্রান্সের অভিজাতগণ দাবি করেন, অভিজাতরা বহিরাগত বিজেতা জাতি ফ্রাঙ্ক-এর বংশধর। ফ্রাঙ্কিশগণ যেহেতু শ্রেষ্ঠ এবং তাদের দ্বারাই ফ্রান্স প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেহেতু জন্মগতভাবেই তারা তৃতীয় শ্রেণির চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এ কারণে সকল প্রকার রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা, নেতৃত্ব অভিজাতদের প্রাপ্য। তৃতীয় শ্রেণির লোকদের তারা বলে, এরা দাসদের সাথে সংকরায়নের ফলে উদ্ধৃত এজন্য তারা নিকৃষ্ট। আর এভাবে ফ্রান্সে বৈষম্য সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
200
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি উক্ত ধারণার জন্য অর্থাৎ বর্ণবাদ প্রথার জন্য অনেক দেশে সংঘাত সৃষ্টি হয়েছিল।
আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বর্ণবাদের কারণে সংঘাত সৃষ্টি * হয়েছিল। আমেরিকা মহাদেশে কৃষিকাজ ও অন্যান্য শ্রম কাজের জন্য আফ্রিকা থেকে নিগ্রোদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হতো। আফ্রিকার কালো মানুষের প্রতি আমেরিকার শ্বেতাঙ্গরা বর্ণবাদ নীতি অনুসরণ করত। আমেরিকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাস, ট্রেন, খাবারের দোকান প্রভৃতি ক্ষেত্রে শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে বর্ণবাদ নীতি অনুসরণ করত। দক্ষিণ আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসনামলে শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর কর্তৃত্ব করত। কৃষ্ণাঙ্গরা খনি এবং কঠিন কাজে নিয়োগ পেত; কিন্তু মজুরি পেত কম আর শ্বেতাঙ্গরা কম পরিশ্রমে বেশি বেতন পেত। এমনকি আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের অভিবাসী শ্বেতাঙ্গরাও শ্বেতাঙ্গ শাসকদের কাছে পক্ষপাতমূলক আচরণ পেত। স্থানীয় ভারতীয় বিচারকরা ইউরোপীয় শ্বেতাঙ্গদের বিচার করতে পারত না। বর্ণবাদ প্রথার কারণে আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বহুদেশে সংঘাত হয়েছে।পরিশেষে বলা যায়, বর্ণবাদ প্রথার কারণে আমেরিকা ও আফ্রিকাসহ বহু দেশে সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
168
উত্তরঃ

১৯১২ সালের ৮ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গদের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক সংগঠন আফ্রিকান জাতীয় কংগ্রেস সংক্ষেপে ANC প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংগঠন আফ্রিকানদের সংহতি, যাবতীয় ধরনের বর্ণবৈষম্যবাদের বিরোধিতা করে এবং বর্ণবৈষম্যমুক্ত একীভূত ও গণতান্ত্রিক দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিষ্ঠার পক্ষে ঘোষণা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
216
উত্তরঃ

উদ্দীপকের উল্লিখিত মিঠুর সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বর্ণবাদবিরোধী নেতা ডেসমন্ড টুটুর মিল রয়েছে।

মিঠুর বাবা ছিলেন একজন শিক্ষক। মা ছিলেন স্কুলের রাঁধুনি ও পরিচ্ছন্নকর্মী। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় মিঠু ডাক্তারি না পড়ে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। মিঠু বিশ্বব্যাপী নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কাজ করে আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন। উদ্দীপকের এ ঘটনার সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদীবিরোধী নেতা ডেসমন্ড টুটুর সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি মহাত্মা গান্ধীর একান্ত শিষ্য হিসেবে অহিংস আন্দোলনের পূজারি ছিলেন এবং অহিংস নীতির মাধ্যমে মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার ইচ্ছে ছিল বর্ণবৈষম্যকে আফ্রিকার মাটি থেকে চিরতরে বিদায় দিতে পারলে আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গরা যেন পৃথিবীতে স্বর্গের দরজায় পা রাখবে। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কষ্ট ভোগ করেছেন। বারবার সরকার তাকে বিরক্ত করেছেন এবং অনেকবার তার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করেছে। তাকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। বর্ণবৈষম্যের আন্দোলন তাকে সামনের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি বলতেন যে, "সাম্যবাদ ও নাজিবাদের মতো বর্ণবৈষম্যের আন্দোলন তাকে সামনের দিকে নিয়ে গেছে। তিনি বলতেন, সাম্যবাদ ও নাজিবাদের মতো বর্ণবৈষম্য একটি জীবন্ত অভিশাপ। এ অভিশাপকে দূর করতেই হবে। তা না হলে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার কোনো সার্থকতা থাকবে না। তিনি ১৯৮৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের মিঠুর সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা ডেসমন্ড টুটুর সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
8 months ago
92
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews