উদ্দীপকের ব্যক্তিগণ শাসন আর শোষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মানবের মুক্তির পথ সুগম করেছেন বলে তাঁদের মানবমুক্তির দূত বলা হয়েছে।
'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতা অনুসারে বাঙালি জাতীয় জীবনে কখনোই শত্রুর কাছে পরাজয় মানেনি। শোষকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম গড়ে তোলায় এ জাতির রয়েছে এক গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে যে ক্ষত জাতির বুকে তৈরি হয়েছে তা এখনো তাজা রক্তজবার মতো।
উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে বাঙালি জাতির পূর্বপুরুষদের সংগ্রামী চেতনাসঞ্চারী ইতিহাসের অনুষঙ্গ। নূরলদীন-তিতুমীর-হাজী শরিয়তউল্লাহ-সূর্যসেন-প্রীতিলতা-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো নেতা আমাদের পূর্বপুরুষদের বীরত্বের ইতিহাসকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা যে বীরের জাতি তা এসব মহান ব্যক্তিদের সংগ্রামী জীবনের মাধ্যমে উঠে এসেছে। 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবি তাঁর পূর্বপুরুষদের সাহসী ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বাঙালি ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছেন। যাঁরা এ জাতির মুক্তির জন্য নানা অত্যাচার সহ্য করে গেছেন। তাঁদের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি।
শত্রুর হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য উদ্দীপকের ব্যক্তিরা বারবার ধৈর্য, শক্তি-সাহস ও শৌর্যবীর্যের পরিচয় দিয়েছেন। তাই এসব ব্যক্তিরা কাঙ্ক্ষিত মানবমুক্তির দূত হয়ে উঠেছেন, যা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সঙ্গেও সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!