উদ্দীপকের সংগ্রামী চেতনা থেকে উৎসাহিত ভাবনা ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শোষকের বিরুদ্ধে জনতার সংঘবদ্ধ সংগ্রামী চেতনার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। কবি দেখিয়েছেন যে, জনতা - একত্রিত হলে শোষকের ভিত যতই শক্ত হোক না কেন তা অচিরেই নড়বড়ে হয়ে যায়। '৬৯ সালের গণ-আন্দোলন অন্তত এটা বুঝিয়েছে যে, জনগণের শক্তি অফুরন্ত, এর বেগ স্রোতঃস্বিনীর স্রোতের চেয়েও প্রবল।
উদ্দীপক থেকে বাংলার মানুষের এক সর্বস্তরব্যাপী জাগরণের কথা বুঝতে পারা যায়। কিছু মানুষকে শাসকগোষ্ঠী হত্যা করলে এ আন্দোলন আরও বেগবান হয়। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র প্রতিবাদী মানুষের প্রতিবাদের ঢেউ বন্যার স্রোতের মতো বইতে থাকে। সাত কোটি মানুষ সংগ্রামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে শাসকের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক একটি দুর্গে পরিণত হয়।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের আসন্ন জয় নিয়ে আশাবাদী। তিনি মনে করেন, '৫২ সালে যে চেতনার মাধ্যমে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা গেছে, ঠিক একই চেতনা '৬৯ এর গণজাগরণ শোষকের দুঃশাসন থেকে মুক্তি এনে দিবে। অন্যদিকে উদ্দীপকে এটা স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, জনতার বিজয় খুবই নিকটবর্তী হয়ে এসেছে। জনতার এই জাগরণ মূলত সংগ্রামী চেতনা থেকে উৎসারিত, যা অনেকদিনের বঞ্চনা, শোষণ ও অত্যাচার থেকে জন্ম লাভ করেছে। সুতরাং উদ্দীপকের বিষয় ভাবনার সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা একসূত্রে গাঁথা।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!