শহিদের পুণ্য রক্তে সাত কোটি

বাঙালির প্রাণের আবেগ আজ

পুষ্পিত সৌরভ। বাংলার নগর, বন্দর

গঞ্জ, বাষট্টি হাজার গ্রাম

ধ্বংসস্তূপ থেকে সাত কোটি ফুল

হয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতা

হয়ে ফোটে। প্রাণময় মহৎ কবিতা

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ঘাতকের থাবার সম্মুখে বুক পাতে বরকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'নক্ষত্রের মতো ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা'- বলতে কবি ভাষা-আন্দোলনের ঘটনাকে বোঝাতে চেয়েছেন।
মাতৃভাষার মান বাঁচাতে রাজপথে নেমে এসেছিল সালাম, বরকতের মতো অসংখ্য বিপ্লবী মানুষ। সালামের হাতে ছিল ফ্ল্যাগ বা ব্যানার। ঘাতকের গুলিতে সালাম ও বরকত মুখ থুবড়ে রাস্তায় পড়লে সেইসব ব্যানারও পড়ে যায়। তবুও অবিনাশী হয়ে থাকে নক্ষত্রের মতো বাংলা ভাষার বর্ণগুলো- প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে কবি এ বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার সংগ্রামী চেতনার মিল রয়েছে।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতা থেকে জানা যায়, ১৯৬৯ সালে বাংলার সর্বস্তরের মানুষ অপশক্তি ও দুঃশাসনের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সংগ্রামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আন্দোলনে নেমেছিল। এই আন্দোলনে শাসক শ্রেণির বুলেটে বিদ্ধ হয়ে প্রাণ যায় অনেকের। কিন্তু তাতে দমে না গিয়ে সর্বস্তরের মানুষ ব্যাপক আন্দোলনে লিপ্ত হয়। যেকোনো মূল্যে তারা অধিকার ছিনিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর হয়। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বেগবান আন্দোলন সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় গণমানুষের সংগ্রামী চেতনায় ভর করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, শহিদের পুণ্য রক্তে স্নাত বাঙালি ব্যাপক আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়। বাংলার নগর, বন্দর, এমনকি বাষট্টি হাজার গ্রাম তথা পুরো বাংলার সাত কোটি মানুষ এক একটি আন্দোলনের দুর্গে পরিণত হয়। প্রত্যেকের মনে সংগ্রামী চেতনার উন্মেষ ঘটে। শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে তারা বদ্ধপরিকর হয়। আন্দোলনে এই মানুষগুলোর উজ্জীবিত হওয়ার মূলমন্ত্র হলো সংগ্রামী চেতনা, যা শহিদের রক্তস্রোতে আরও বেগবান হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার একই ধরনের সংগ্রামী চেতনার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সংগ্রামী চেতনা থেকে উৎসাহিত ভাবনা ও 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা একসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় শোষকের বিরুদ্ধে জনতার সংঘবদ্ধ সংগ্রামী চেতনার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। কবি দেখিয়েছেন যে, জনতা - একত্রিত হলে শোষকের ভিত যতই শক্ত হোক না কেন তা অচিরেই নড়বড়ে হয়ে যায়। '৬৯ সালের গণ-আন্দোলন অন্তত এটা বুঝিয়েছে যে, জনগণের শক্তি অফুরন্ত, এর বেগ স্রোতঃস্বিনীর স্রোতের চেয়েও প্রবল।
উদ্দীপক থেকে বাংলার মানুষের এক সর্বস্তরব্যাপী জাগরণের কথা বুঝতে পারা যায়। কিছু মানুষকে শাসকগোষ্ঠী হত্যা করলে এ আন্দোলন আরও বেগবান হয়। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র প্রতিবাদী মানুষের প্রতিবাদের ঢেউ বন্যার স্রোতের মতো বইতে থাকে। সাত কোটি মানুষ সংগ্রামী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে শাসকের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক একটি দুর্গে পরিণত হয়।
'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতায় কবি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্যের আসন্ন জয় নিয়ে আশাবাদী। তিনি মনে করেন, '৫২ সালে যে চেতনার মাধ্যমে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা গেছে, ঠিক একই চেতনা '৬৯ এর গণজাগরণ শোষকের দুঃশাসন থেকে মুক্তি এনে দিবে। অন্যদিকে উদ্দীপকে এটা স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, জনতার বিজয় খুবই নিকটবর্তী হয়ে এসেছে। জনতার এই জাগরণ মূলত সংগ্রামী চেতনা থেকে উৎসারিত, যা অনেকদিনের বঞ্চনা, শোষণ ও অত্যাচার থেকে জন্ম লাভ করেছে। সুতরাং উদ্দীপকের বিষয় ভাবনার সঙ্গে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার কবির চেতনা একসূত্রে গাঁথা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
44

আবার ফুটেছে দ্যাখো কৃষ্ণচূড়া থরে থরে শহরের পথে 

কেমন নিবিড় হয়ে । কখনো মিছিলে কখনো-বা

 একা হেঁটে যেতে যেতে মনে হয়-ফুল নয়, 

ওরা শহিদের ঝলকিত রক্তের বুদ্বুদ, স্মৃতিগন্ধে ভরপুর । 

একুশের কৃষ্ণচূড়া আমাদের চেতনারই রংকে

এ-রঙের বিপরীত আছে অন্য রং, 

যে-রং লাগে না ভালো চোখে, যে-রং সন্ত্রাস আনে 

প্রাত্যহিকতায় আমাদের মনে সকাল-সন্ধ্যায়- 

এখন সে রঙে ছেয়ে গেছে পথ-ঘাট, সারা দেশ 

ঘাতকের অশুভ আস্তানা ।

আমি আর আমার মতোই বহু লোক

রাত্রি-দিন ভূলুণ্ঠিত ঘাতকের আস্তানায়, কেউ মরা, আধমরা কেউ, 

কেউ বা ভীষণ জেদি, দারুণ বিপ্লবে ফেটে পড়া । চতুর্দিকে

মানবিক বাগান, কমলবন হচ্ছে তছনছ

বুঝি তাই উনিশশো উনসত্তরেও

আবার সালাম নামে রাজপথে, শূন্যে তোলে ফ্ল্যাগ,

বরকত বুক পাতে ঘাতকের থাবার সম্মুখে।

সালামের চোখ আজ আলোচিত ঢাকা,

সালামের মুখ আজ তরুণ শ্যামল পূর্ব বাংলা ।

দেখলাম রাজপথে, দেখলাম আমরা সবাই

জনসাধারণ

দেখলাম সালামের হাত থেকে নক্ষত্রের মতো মতো *

ঝরে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা |

আর বরকত বলে গাঢ় উচ্চারণে

এখনো বীরের রক্তে দুঃখিনী মাতার অশ্রুজলে

ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে

হৃদয়ের হরিৎ উপত্যকায় । সেই ফুল আমাদেরই প্রাণ,

 শিহরিত ক্ষণে ক্ষণে আনন্দের রৌদ্রে আর দুঃখের ছায়ায় । [সংক্ষেপিত]

Related Question

View All
185
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews