উদ্দীপকের মুকুল সাহেব 'বঙ্গবাণী' কবিতার একশ্রেণির মানুষের মাতৃভাষাকে উপেক্ষা করার দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে।
মাতৃভাষায় কথা বলা মানুষের জন্মগত অধিকার। মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষ যথাযথভাব মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। আবার অনেকে আছে মাতৃভাষাকে সম্মান করে না। যারা মাতৃভাষার পরিবর্তে অন্য ভাষাকে গুরুত্ব দেয় তারা নীচ ও হীন প্রকৃতির লোক।
উদ্দীপকের মুকুল সাহেব তার একমাত্র ছেলেকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ান। তিনি গর্ব করে বলেন যে, তার ছেলে বাংলা বলতেই পারে না। তার এমন আচরণের মধ্য দিয়ে মাতৃভাষাকে উপেক্ষার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। 'বঙ্গবাণী' কবিতায়ও কবি এমন মানুষের কথা বলেছেন যারা সংকীর্ণমনা। যারা বাংলায় জন্মে বাংলা ভাষাকে উপেক্ষা করত কবি তাদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। কারণ তারা মাতৃভাষা বাংলাকে 'হিন্দুর অক্ষর' বলে উপেক্ষা করেছে। এভাবে উদ্দীপকের মুকুল সাহেব 'বঙ্গবাণী' কবিতার মাতৃভাষাকে উপেক্ষা করার দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!