উদ্দীপকের রফিকের মাঝে আঠারো বছর বয়সের দেশ ও জাতির জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে আসার দিকটি স্পষ্ট।
আঠারো বছর বয়স বহু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে চিহ্নিত। জড়-নিশ্চল প্রথাবদ্ধ জীবনকে পিছনে ফেলে নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন, কল্যাণ ও সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা, চলার দুর্বার গতির জয়গান ফুটে উঠেছে আলোচ্য কবিতায়। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে এ বয়সের মানুষেরা এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়েছে সমস্ত বিপদ মোকাবিলায়।
উদ্দীপকের রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবারের উদ্দেশে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে। দেশমাতৃকার জন্য শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করার এ মানসিকতা রফিককে কবিতার আঠারো বছর বয়সি তরুণদের সহযাত্রী করেছে। কেননা, কবির মতে, এ বয়সিরাই
দেশ ও জাতির জন্য যেকোনো ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত থাকে।'
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!