অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে তার উপকার করার মধ্য দিয়ে ভালোবাসাপূর্ণ পৃথিবী বিনিমার্ণের প্রেক্ষিতে উদ্দীপকের রহিমউদ্দীনের সাথে 'প্রতিদান' কবিতার কবিভাবনার সাদৃশ্য রয়েছে।
'প্রতিদান' কবিতায় কবি অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে তার উপকার করার মাধ্যমে সুন্দর, নিরাপদ পৃথিবী নির্মাণ করতে চেয়েছেন। কবি তাকেই ঘর বেঁধে দিতে চেয়েছেন যে কবির ঘর ভেঙে দিয়েছে। যে কবিকে পর করেছে তাকেই কবি আপন করতে কেঁদে বেড়িয়েছেন। কবি বিষে-ভরা বাণের পরিবর্তে বুকভরা গান দিতে চেয়েছেন। মূলত কবি সমাজ-সংসারের যাবতীয় বিভেদ-হিংসা-হানাহানির বিপরীতে প্রেম ভালোবাসা ও উদারতার বার্তা পৌছাতে চেয়েছেন।
উদ্দীপকের রহিমউদ্দীন তার বড়ো ভাই সমিরউদ্দীন দ্বারা বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়। তবুও রহিমউদ্দীন তার ভাইকে ক্ষমা করে দেয় এবং ভাইয়ের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়ায়। 'কোভিড-১৯'-এ আক্রান্ত সমিরউদ্দীন যখন সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করছিল তখন রহিমউদ্দিন ভাইয়ের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে। তাই বলা যায়, 'প্রতিদান' কবিতায় কবি যেমন অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে তার উপকারের মধ্য দিয়ে সর্বময়।
কল্যাণের কথা বলেছেন, উদ্দীপকের রহিমউদ্দীনও তেমনই চেতনা ধারণ করে বড়ো ভাইয়ের অপরাধ ক্ষমা করে তার সেবার ব্রত নিয়েছে
Related Question
View Allকি
অবিরাম,অনবরত। ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!