রাজীবের আচরণ কিশোর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত ।
কিশোর অপরাধের মধ্যে রয়েছে স্কুল পালানো, মেয়েদের প্রতি অশোভন আচরণ, চুরি, ছিনতাই, খুন, ডাকাতি, মারামারি, মাদকদ্রব্য সেবন ইত্যাদি। মা-বাবার শিশু প্রতিপালন পদ্ধতি সঠিক না থাকা, বাবা-মার অবহেলা, মা অথবা বাবার অনুপস্থিতি, বংশগত কারণ, দরিদ্র বা ভগ্ন পরিবার, নিয়মশৃঙ্খলার অভাব এ ধরনের অপরাধী তৈরিতে বিশেষ প্রভাব ফেলে।
কিশোর অপরাধগুলো সাধারণত গুরুতর হয় না। সমবয়সীদের সাথে দলে মিশে কিশোররা বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত হয়। এই অপরাধগুলো কৈশোরের শেষের দিকে চলে যায়। সঠিক পরিচালনা পদ্ধতি ও সংশোধনীর মাধ্যমেই তাদের আচরণ পরিবর্তন করা সম্ভব। রাজীব দশম শ্রেণির ছাত্র। অর্থাৎ সে একজন কিশোর। রাজীব প্রতিদিন তার বন্ধুদের সাথে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে থাকে, আজেবাজে কথা বলে, তাদেরকে উত্যক্ত করে। কিশোরদের এ ধরনের আচরণ কিশোর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। রাজীব যেহেতু একজন কিশোর তাই তার আচরণকে কিশোর অপরাধ বলা যায়।
Related Question
View Allকোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে।
কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।
ইমন কৈশোরকালে অবস্থান করছে।
ইমন মাঝে মাঝে স্কুল পালায় ও ক্লাসে অমনোযোগী থাকে। তার বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরাও এ বয়সে নানা কারণে অপরাধী হয়ে ওঠে। এর কারণগুলো হলো-
১. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ শিশুদের মনে বিষণ্ণতা তৈরি করে তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলে।
২. পিতামাতার কঠোর শাসন, অতিরিক্ত ভালোবাসা, অযত্ন, অবহেলা, ইত্যাদি।
৩. পড়াশোনায় ব্যর্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, সমবয়সীদের প্রভাব।
৪. পরিবারে নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলার অভাব হলে।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, পিতামাতার সঠিক পদ্ধতিতে সন্তান পরিচালনা, ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক বন্ধনের অভাবই এ বয়সী ছেলেমেয়েদের অপরাধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।
ইমন ১৩ বছর বয়সী কিশোর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় তারা দুজন আলাদা বসবাস করেন। ফলে ইমন বাবা-মায়ের অবহেলায় বেড়ে উঠছে। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে সে স্কুলে অমনোযোগী হয়ে পড়ে এবং কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিম্নলিখিত উপায়ে তার অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-
১. ইমনের সাথে তার মা-বাবার বন্ধন দৃঢ় করে।
২. পরিবারের সবার মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করে।
৩. পরিবারের ভাঙ্গন রোধ করে।
৪. ইমনের বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলে।
৫. ইমনের বাবা-মার ইমনের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে।
৬. তার স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেওয়া ও প্রয়োজনে শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করে।
এ সকল বিষয় ছাড়াও ইমনেরও কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। যেমন- ভালো বন্ধু দল নির্বাচন, নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নেওয়া ইত্যাদি।
কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।
কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে।
কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!