রাজীব দশম শ্রেণির ছাত্র। পিতৃমাতৃহীন ছেলেটির লেখাপড়া অনেক আগেই বন্ধ হয়ে যায়। সে প্রতিদিন তার বন্ধুদের সাথে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে থাকে। আজেবাজে কথা বলে। তাদেরকে উত্যক্ত করে। এ জন্য এলাকার মেয়েরা তাকে ভয় পায় ও এড়িয়ে চলে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

মানসিক চাপ দুই ধরনের।

উত্তরঃ

মা-বাবাকে সন্তানের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে যেন সন্তান অপরাধমূলক কোনো কাজে জড়িয়ে পড়ার সুযোগ না পায়। সব সময় অপরাধ জগতের খারাপ দিকগুলো সন্তানের সামনে তুলে ধরতে হবে। এর ফলে তারা এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকবে।

উত্তরঃ

রাজীবের আচরণ কিশোর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত । 

কিশোর অপরাধের মধ্যে রয়েছে স্কুল পালানো, মেয়েদের প্রতি অশোভন আচরণ, চুরি, ছিনতাই, খুন, ডাকাতি, মারামারি, মাদকদ্রব্য সেবন ইত্যাদি। মা-বাবার শিশু প্রতিপালন পদ্ধতি সঠিক না থাকা, বাবা-মার অবহেলা, মা অথবা বাবার অনুপস্থিতি, বংশগত কারণ, দরিদ্র বা ভগ্ন পরিবার, নিয়মশৃঙ্খলার অভাব এ ধরনের অপরাধী তৈরিতে বিশেষ প্রভাব ফেলে।

কিশোর অপরাধগুলো সাধারণত গুরুতর হয় না। সমবয়সীদের সাথে দলে মিশে কিশোররা বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত হয়। এই অপরাধগুলো কৈশোরের শেষের দিকে চলে যায়। সঠিক পরিচালনা পদ্ধতি ও সংশোধনীর মাধ্যমেই তাদের আচরণ পরিবর্তন করা সম্ভব। রাজীব দশম শ্রেণির ছাত্র। অর্থাৎ সে একজন কিশোর। রাজীব প্রতিদিন তার বন্ধুদের সাথে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে থাকে, আজেবাজে কথা বলে, তাদেরকে উত্যক্ত করে। কিশোরদের এ ধরনের আচরণ কিশোর অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। রাজীব যেহেতু একজন কিশোর তাই তার আচরণকে কিশোর অপরাধ বলা যায়।

উত্তরঃ

রাজীব স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের বিরক্ত করে। এছাড়া আজেবাজে কথাও বলে। এগুলো এক ধরনের কিশোর অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ সে ধরনের কাজ অনুর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সের ছেলে ও মেয়েরা সংঘটিত করলেই তা কিশোর অপরাধ। এ ধরনের অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির ব্যবস্থা থাকে না। তাদের আচরণ সংশোধনের জন্য সংশোধনী কেন্দ্রে রাখা হয়। 

কিশোর অপরাধীকে সংশোধন না করা হলে ছোট ছোট অপরাধ করার পাশাপাশি আস্তে আস্তে বড় ধরনের অপরাধের সাথে তারা যুক্ত হয়ে যায়। সমাজে বিশৃঙ্খলা, খুন, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ইত্যাদি বেড়ে যায়। রাজীবের মতো অপরাধীদের জন্য বর্তমানে আমাদের সমাজের নিরীহ মেয়েদের স্কুল ছাড়তে হচ্ছে। এদের ভয়ে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মেয়েরা নির্ভয়ে বাইরে বের হতে পারছে না।

তাই বলা যায়, রাজীবের মতো ছেলেদের এ ধরনের আচরণ আমাদের সমাজে ক্ষতির প্রভাব ফেলছে।

151

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

842
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

1.1k
উত্তরঃ

ইমন কৈশোরকালে অবস্থান করছে। 

ইমন মাঝে মাঝে স্কুল পালায় ও ক্লাসে অমনোযোগী থাকে। তার বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরাও এ বয়সে নানা কারণে অপরাধী হয়ে ওঠে। এর কারণগুলো হলো- 

১. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ শিশুদের মনে বিষণ্ণতা তৈরি করে তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলে।

২. পিতামাতার কঠোর শাসন, অতিরিক্ত ভালোবাসা, অযত্ন, অবহেলা, ইত্যাদি।

৩. পড়াশোনায় ব্যর্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, সমবয়সীদের প্রভাব। 

৪. পরিবারে নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলার অভাব হলে। 

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, পিতামাতার সঠিক পদ্ধতিতে সন্তান পরিচালনা, ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক বন্ধনের অভাবই এ বয়সী ছেলেমেয়েদের অপরাধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।

499
উত্তরঃ

ইমন ১৩ বছর বয়সী কিশোর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় তারা দুজন আলাদা বসবাস করেন। ফলে ইমন বাবা-মায়ের অবহেলায় বেড়ে উঠছে। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে সে স্কুলে অমনোযোগী হয়ে পড়ে এবং কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিম্নলিখিত উপায়ে তার অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-

১. ইমনের সাথে তার মা-বাবার বন্ধন দৃঢ় করে। 

২. পরিবারের সবার মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করে। 

৩. পরিবারের ভাঙ্গন রোধ করে।

৪. ইমনের বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলে। 

৫. ইমনের বাবা-মার ইমনের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে। 

৬. তার স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেওয়া ও প্রয়োজনে শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করে। 

এ সকল বিষয় ছাড়াও ইমনেরও কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। যেমন- ভালো বন্ধু দল নির্বাচন, নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নেওয়া ইত্যাদি।

581
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

235
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

313
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews