উদ্দীপকের শেষে উল্লিখিত সাখাওয়াত সাহেব ছাত্রদেরকে যে ধরনের পার্থক্য স্পষ্ট করেন তা বিশ্লেষণ করো। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাখাওয়াত সাহেব ছাত্রদেরকে ইসলামি অর্থব্যবস্থার সাথে পাশ্চাত্য ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পার্থক্য সম্পর্কে বলেছেন। ইসলামি অর্থব্যবস্থার সাথে প্রচলিত পাশ্চাত্য ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান। ইসলামি অর্থব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় কুরআন ও হাদিসের আইন অনুযায়ী। আর পাশ্চাত্য ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে মানবসৃষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত।

ইসলামি অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে মানবকল্যাণের নিমিত্তে পরিচালিত হয়। এতে মানুষের জন্য ক্ষতিকর মাদক, বিড়ি, সিগারেট, প্রভৃতির ব্যবসা নিষিদ্ধ। পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় এরকম কোনো বিধিনিষেধ সুস্পষ্ট নয়। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সুদি কারবার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ পক্ষান্তরে অন্যান্য অর্থব্যবস্থার ভিত্তিই গড়ে উঠেছে সুদি কারবারের ওপর। ইসলামি অর্থব্যবস্থার পুরো ভাগ জুড়ে রয়েছে সাম্য ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের জোরালো প্রতিশ্রুতি। এতে ধনীদের জন্য যেমন অর্থ উপার্জনের ব্যক্তি স্বাধীন রয়েছে ঠিক তেমনি গরিবদের রয়েছে আর্থিক নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা। এ ব্যবস্থায় ধনীরা জাকাত, ফিতরা, কুরবানি প্রভৃতি ইসলামি ইবাদতমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গরিবের পাশে দাঁড়ায়। গরিবেরা হয়ে ওঠে স্বাবলম্বী। পক্ষান্তরে পাশ্চাত্য ও পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় যেভাবে পারে সেভাবে আয় কর। একেক ব্যক্তি অর্থের পাহাড় করাতেও দোষ নেই। গরিবদের অংশ যে ধনীদের অর্থেও আছে তা বিশ্বাসই করা হয় না। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সমতার নামে ব্যক্তির অর্থ উপার্জন ও ব্যয় করার স্বাধীনতাকে হরণ করা হয়।

অতএব ইসলামি অর্থব্যবস্থা অন্যান্য যেকোনো অর্থব্যবস্থার তুলনায় শক্তিশালী, টেকসই, মানবতা ও মানবাধিকার রক্ষায় অগ্রগণ্য। উদ্দীপকের সাখাওয়াত সাহেব ইসলামি অর্থব্যবস্থার শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনায় ছাত্রদেরকে এই অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা - দেওয়ার জন্যই অন্য অর্থব্যবস্থারও বিবরণ দিয়েছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
86

Related Question

View All
371
উত্তরঃ

দ্বিতীয় স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় সুলাহা। 

তাকওয়ার দ্বিতীয় সোপান হলো এমন হালাল কথা, কাজ, বিষয় ও বস্তু বর্জনের স্তর, যে হালালের হালাল হওয়া সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে। কেননা, সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন না করলে সন্দেহাতীতভাবে হারাম থেকে মুক্ত থাকা যায় না। রাসুলুল্লাহ (স) যা সন্দেহযুক্ত তা বর্জন করতে এবং যা সন্দেহযুক্ত নয় তা গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
296
উত্তরঃ

অর্থনীতিবিদ রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ইসলামি অর্থব্যবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। এটি একটি মানবকল্যাণময় ও প্রগতিশীল অর্থব্যবস্থা। জাকাত, হালাল উপার্জন ও ইসলামি শরিয়তের অনুসরণ এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যা রফিকুল ইসলামের আলোচনায় ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকের রফিকুল ইসলাম এমন একটি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, যেখানে হালাল উপার্জন এবং জাকাতের বিষয়টি বাধ্যতামূলক। তার আলোচিত অর্থব্যবস্থার সাথে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মিল রয়েছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক অর্থব্যবস্থা। এ অর্থব্যবস্থায় সম্পদের প্রকৃত মালিক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন। মানুষ তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে তা ব্যবহার করেন। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় যা খুশি এব উৎপাদন করা যায় না, যেভাবে খুশি উপার্জনও করা যায় না। এ অর্থব্যবস্থায় হালাল পন্থায় উপার্জন বাধ্যতামূলক। এ ব্যবস্থায় সম্পদের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ বণ্টননীতি অনুসরণ করা হয়। এ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো- হালাল-হারাম নির্ধারণ। সম্পদ উপার্জন, ব্যয় ও ভোগের ক্ষেত্রে হালাল-হারামের নির্ধারিত সীমা- পরিসীমা মেনে চলা অত্যাবশ্যক। এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- জাকাতভিত্তিক ও সুদমুক্ত। এ অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদে গরিবদের জন্য নির্ধারিত অংশ রয়েছে। ইসলামের বিধান অনুযায়ী সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার বৈষম্য কমে আসে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
235
উত্তরঃ

ইবাদত কবুলের জন্য আমাদের হালাল উপার্জন করতে হবে এবং হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকতে হবে- মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের আলোকে যথার্থ। ইসলামি শরিয়তে যেসব বিষয়ের অনুমতি রয়েছে এবং যা সম্পর্কে কোনো নিষেধ বাণী নেই তাকে হালাল বা বৈধ বলে। আর শরিয়তে যেসব বিষয় নিষেধ করা হয়েছে তা হারাম বা অবৈধ। জীবনের সবক্ষেত্রে হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা ইসলামের বিধান। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এ বিধানটি মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। এটি ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন করে এবং হালাল জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে। আর যদি হারাম উপায়ে উপার্জন ও হারাম জীবিকা গ্রহণ করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল জিনিস গ্রহণ ও হারাম জিনিস বর্জন করা একজন মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। হালাল- হারামের বিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালন করা হয়। হালাল উপার্জনকারীর ওপর আল্লাহ সন্তুষ্ট হন আর হারাম উপার্জনকারীর প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ইবাদত কবুলের জন্য ইসলামি শরিয়তের আলোকে হালাল-হারামের বিধান মেনে চলা মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যক। তাই মাওলানা মুহিবুর রহমানের উক্তিটি ইসলামের দৃষ্টিতে যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
225
উত্তরঃ

স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে বিশেষ করে অভাবগ্রস্ত ও নিঃস্ব লোকদের কিছু দান করাকে সাদাকাত বলে। সাদাকাত অর্থ হলো দান। এটি দুই প্রকার। যথা- ১. নফল বা ঐচ্ছিক সাদাকাত এবং ২. ওয়াজিব বা বাধ্যতামূলক সাদাকাত। অর্থাৎ বাধ্যবাধকতা ছাড়া অথবা বিশেষ শর্তসাপেক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে যে দান করা হয় তাই ওয়াজিব সাদাকাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
339
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews