উদ্দীপকের শেষ পঙ্ক্তির সঙ্গে 'বৃষ্টি' কবিতার শেষের চার চরণের মিল রয়েছে।
বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে প্রকৃতির সাথে মানবমনেও এক অনির্বচনীয় অনুভূতি জাগে। নওল বৃষ্টিধারায় স্নাত বন-বনানীর সাথে সুদূরের ভাবনায় জেগে ওঠে মানুষের মন। বৃষ্টির দিনে সংবেদনশীল মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে রসসিক্ত হয়ে আন্দোলিত হয়।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের নিভৃত পল্লির মানুষের মন বর্ষাস্নাত একটি দিনের চিত্রালেখ্য অঙ্কিত হয়েছে। ঘনঘোর বৃষ্টিতে পল্লিবা অবসর পেয়ে কেউবা নকশিকাঁথায় গভীর অনুরাগে রঙিন ফুল তোলে। বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন সুতার টানে যেন ভাষা পায়। বাইরে অঝোর ধারায় অবিরল বর্ষণ চলে। সেইই বর্ষণে বাঁশবন নুয়ে পড়ে। এমন দিনে প্রিয়জনের কথা মনে পড়ে যায়। 'বৃষ্টি' কবিতায়ও বর্ষার প্রথম অবিরল বৃষ্টিপাতে প্রকৃতি ও মানুষের এমনই কর্মপ্রবাহ ও মনোবৃত্তি অঙ্কিত হয়েছে। বৃষ্টির দিনে তৃষিত বনবনানীর রসসিক্ততার মতো সংবেদনশীল মানুষও রসসিক্ত হয়ে ওঠে। তার মনে পড়ে সুখময় অতীতে স্মৃতি, আর সেই ভালো লাগার আলপনা আঁকে মনে মনে। এ বৃষ্টিধারা কখনো মনকে বিষণ্ণও করে, একাকী জীবনের বিরহ-বেদনা আরও বাড়িয়ে দেয়।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!