কেউবা রঙিন কাঁথায় মেলিয়া বুকের স্বপনখানি,

তারে ভাষা দেয় দীঘল সুতায় মায়াবী আখর টানি।

আজিকে বাহিরে শুধু ক্রন্দন ছলছল জলধারে

বেণু-বনে বায়ু নাড়ে এলোকেশ, মন যেন চায় কারে।

Updated: 8 months ago
উত্তরঃ

'বৃষ্টি' কবিতায় পদ্মা ও মেঘনা নদীর কথা উল্লেখ রয়েছে।

উত্তরঃ

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে এবং ফসলের সম্ভারে ভরিয়ে দিতেই রৌদ্র-দগ্ধ ধানখেত আজ বৃষ্টির স্পর্শ পেতে চায়।

গ্রীষ্মের প্রচন্ড উত্তাপে বাংলাদেশের প্রকৃতিতে যেন আগুন ধরে যায়। গাছপালা, লতাপাতা ও খেতের নবীন ফসল দুঃসহ তাপে ঝিমিয়ে পড়ে। তখন বৃষ্টির স্পর্শে রৌদ্র-দন্ধে ঝিমিয়ে পড়া গাছপালা, লতাপাতা ও ধানখেত নতুন প্রাণ পেয়ে সতেজ, সবুজ ও পুষ্ট 'হয়ে ওঠে। এ কারণেই রৌদ্র-দগ্ধ ধানখেত আজ বৃষ্টির স্পর্শ পেতে চায়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষ পঙ্ক্তির সঙ্গে 'বৃষ্টি' কবিতার শেষের চার চরণের মিল রয়েছে।

বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে প্রকৃতির সাথে মানবমনেও এক অনির্বচনীয় অনুভূতি জাগে। নওল বৃষ্টিধারায় স্নাত বন-বনানীর সাথে সুদূরের ভাবনায় জেগে ওঠে মানুষের মন। বৃষ্টির দিনে সংবেদনশীল মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে রসসিক্ত হয়ে আন্দোলিত হয়।

উদ্দীপকে বাংলাদেশের নিভৃত পল্লির মানুষের মন বর্ষাস্নাত একটি দিনের চিত্রালেখ্য অঙ্কিত হয়েছে। ঘনঘোর বৃষ্টিতে পল্লিবা অবসর পেয়ে কেউবা নকশিকাঁথায় গভীর অনুরাগে রঙিন ফুল তোলে। বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন সুতার টানে যেন ভাষা পায়। বাইরে অঝোর ধারায় অবিরল বর্ষণ চলে। সেইই বর্ষণে বাঁশবন নুয়ে পড়ে। এমন দিনে প্রিয়জনের কথা মনে পড়ে যায়। 'বৃষ্টি' কবিতায়ও বর্ষার প্রথম অবিরল বৃষ্টিপাতে প্রকৃতি ও মানুষের এমনই কর্মপ্রবাহ ও মনোবৃত্তি অঙ্কিত হয়েছে। বৃষ্টির দিনে তৃষিত বনবনানীর রসসিক্ততার মতো সংবেদনশীল মানুষও রসসিক্ত হয়ে ওঠে। তার মনে পড়ে সুখময় অতীতে স্মৃতি, আর সেই ভালো লাগার আলপনা আঁকে মনে মনে। এ বৃষ্টিধারা কখনো মনকে বিষণ্ণও করে, একাকী জীবনের বিরহ-বেদনা আরও বাড়িয়ে দেয়।

উত্তরঃ

"উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একটা বিশেষ ভাব প্রকাশ করে মাত্র, সমগ্র ভাব নয়"- মন্তব্যটির সঙ্গে আমি একমত।

পল্লি প্রকৃতিতে বৃষ্টিধারা নিয়ে আসে যৌবনের উদ্দামতা। অবিশ্রান্ত বর্ষণে মাঠ-ঘাট, খাল-বিল, নদী-নালা ভরে ওঠে। বিভিন্ন ফুলের বিচিত্র বর্ণ-গন্ধের উৎসবে মেতে ওঠে বাংলার প্রকৃতি। মানুষের হৃদয়-দ্বার যেন খুলে যায়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ঘনঘোর বর্ষায় পল্লিবধূরা অবসর পেয়ে কেউবা নকশিকাঁথায় গভীর অনুরাগে বুনছে রঙিন ফুল। বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখা স্বপ্ন সুতার টানে তা যেন ভাষা পাচ্ছে। বাইরে অঝোর ধারায় বর্ষণ হচ্ছে। সেই বর্ষণে বাঁশবন নুয়ে পড়ছে। এমন দিনে প্রিয়জনের কথা মনে পড়ছে। 'বৃষ্টি' কবিতার শেষ চারটি চরণেও উদ্দীপকের এ বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

'বৃষ্টি' কবিতায় বৃষ্টিধারায় স্নাত বাংলার সামগ্রিক জীবন ও প্রকৃতি অঙ্কিত হয়েছে। সেখানে বৃষ্টিকে বহু প্রতীক্ষিত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতে পদ্মা-মেঘনার বাংলাদেশে বন্যার প্রাণচাঞ্চল্য এবং আবাদি জমিতে গৌরবের ফসল ফলে। আকাশের সর্বত্র মেঘ ও বিদ্যুৎ, রূপসী-পরিদের খেলা দেখা যায়। বর্ষার ফুল ফুটলে সর্বত্র মোহিত হয়। রুক্ষ মাটি বৃষ্টিতে প্রাণ জুড়ায়। 'বৃষ্টি' কবিতার উপর্যুক্ত সব বৈশিষ্ট্য উদ্দীপকে অনুপস্থিত। উদ্দীপকে বৃষ্টিধারায় প্রকৃতি ও মানবমনের এক বিশেষ অনুভূতি অঙ্কিত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

205

বৃষ্টি এলো ... বহু প্রতীক্ষিত বৃষ্টি ! – পদ্মা মেঘনার

দুপাশে আবাদি গ্রামে, বৃষ্টি এলো পূবের হাওয়ায়,

বিদগ্ধ আকাশ, মাঠ ঢেকে গেল কাজল ছায়ায়;

বিদ্যুৎ-রূপসী পরী মেঘে মেঘে হয়েছে সওয়ার।

দিকদিগন্তের পথে অপরূপ আভা দেখে তার

বর্ষণ-মুখর দিনে অরণ্যের কেয়া শিহরায়,

রৌদ্র-দগ্ধ ধানক্ষেত আজ তার স্পর্শ পেতে চায়,

নদীর ফাটলে বন্যা আনে পূর্ণ প্রাণের জোয়ার।

রুণ বৃদ্ধ ভিখারির রগ-ওঠা হাতের মতন

রুক্ষ মাঠ আসমান শোনে সেই বর্ষণের সুর,

তৃষিত বনের সাথে জেগে ওঠে তৃষাতপ্ত মন,

পাড়ি দিয়ে যেতে চায় বহু পথ, প্রান্তর বন্ধুর,

যেখানে বিস্তৃত দিন পড়ে আছে নিঃসঙ্গ নির্জন

সেখানে বর্ষার মেঘ জাগে আজ বিষণ্ন মেদুর ॥
 

Related Question

View All
উত্তরঃ

‘বৃষ্টি’ কবিতায় ঘোলাটে মেঘে ঢাকা আকাশের কথা বলা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

প্রদত্ত উদ্দীপকের কবিতাংশে বর্ণিত বৃষ্টির জলে স্নাতা, কদম্ব শাখার নিচে থাকা যে মেয়েটি অস্ফুট কলিকায় রেণু খুলতে দেখছে এবং বর্ষার আনন্দে হেসে কুটি কুটি হচ্ছে, তাকেই 'বিদ্যুৎ রূপসী পরী' বলা হয়েছে। সে যেন বর্ষার ক্ষণস্থায়ী কিন্তু মনোমুগ্ধকর রূপ ও প্রাণচাঞ্চল্যের প্রতীক।

বৃষ্টিভেজা প্রকৃতির মাঝে এই মেয়েটির উপস্থিতি বিদ্যুতের মতো ক্ষণস্থায়ী হলেও তার রূপ ও চাঞ্চল্য পরীর মতোই মোহনীয়। বর্ষার আগমনে প্রকৃতিতে যে সতেজতা ও আনন্দ সৃষ্টি হয়, এবং যা ক্ষণিকের জন্য ঝলসে উঠেই আবার মিলিয়ে যায়, মেয়েটি সেই ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্য ও জীবনের আনন্দকে মূর্ত করে তোলে। তাই তাকে বিদ্যুৎ রূপসী পরী নামে অভিহিত করা হয়েছে, যা বর্ষার চকিত সৌন্দর্যের প্রতীক।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'বৃষ্টি' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো বৃষ্টির সতেজতা, আনন্দময় প্রভাব এবং প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। বৃষ্টি শুধুমাত্র প্রকৃতিকে সজীব করে তোলে না, বরং মানব মনেও অনাবিল আনন্দ ও উদ্দীপনার সঞ্চার করে।

প্রদত্ত উদ্দীপকে বৃষ্টির স্নিগ্ধ ও আনন্দময় রূপটি চমৎকারভাবে চিত্রিত হয়েছে। এখানে "ঘোলাটে মেঘের আড়ে" সূর্য ঘুমিয়ে পড়ার চিত্রকল্প বৃষ্টির আগমনী বার্তা দেয় এবং "ছল ছল জলধারে" কেয়া-বন-পথে স্বপ্নের জাল বুনতে দেখা যায়, যা বৃষ্টির আগমনী সৌন্দর্যের ইঙ্গিত। বিশেষ করে, "বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয়, সে হাসি তাহার অধর নিঙাড়ি লুটাইছে বনময়" - এই চরণগুলির মধ্য দিয়ে বৃষ্টির জলধারায় সিক্ত হয়ে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে মানুষের, বিশেষত একটি মেয়ের, উচ্ছ্বল আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

বৃষ্টির পানিতে স্নান করে মেয়েটির অদম্য হাসি এবং সেই হাসির বনের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া প্রকৃতির সতেজতা ও জীবনচঞ্চলতারই প্রতিচ্ছবি। এই চিত্রকল্প বৃষ্টির যে রূপকে তুলে ধরে, তা হলো নির্মল আনন্দ, প্রকৃতির মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা এবং পরিবেশের সতেজতার সাথে নিজের মনকেও সজীব করে তোলার ক্ষমতা। এটি বৃষ্টির শুধু বাহ্যিক রূপ নয়, বরং এর অন্তর্নিহিত প্রভাব, যা প্রাণিজগত ও মানব মনে নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চার করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একটি বিশেষ দিক তুলে ধরলেও, এর সামগ্রিক বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে না। এই মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ একটি পূর্ণাঙ্গ কবিতা সাধারণত তার উপজীব্য বিষয়কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এবং একাধিক স্তরে বিশ্লেষণ করে, যা একটি ছোট অনুচ্ছেদ বা উদ্দীপকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করা সম্ভব নয়।

প্রদত্ত উদ্দীপকে বর্ষার সজীবতা ও প্রকৃতির সাথে মানবমনের একাত্মতার এক মনোরম চিত্র ফুটে উঠেছে। এখানে ঘোলাটে মেঘের আড়ালে রোদ ঘুমিয়ে পড়া, কেয়া-বন-পথে ছলছল জলধারার মধ্য দিয়ে স্বপন বোনা, কদম্ব শাখে নিরালায় ছোট ছোট রেণু আর অস্ফুট কলিকা দেখা এবং বাদলের জলে স্নান করে এক মেয়ের হাসিতে বনময় আনন্দ ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য বর্ণিত হয়েছে। এটি বৃষ্টির আগমনে প্রকৃতির সতেজতা, নির্জন আনন্দ এবং এক কিশোরীর প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত মুহূর্তকে উপস্থাপন করে।

তবে, উদ্দীপকের এই চিত্রটি 'বৃষ্টি' কবিতার শুধুমাত্র একটি বিশেষ দিক, যা মূলত বৃষ্টির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এর প্রভাবে সৃষ্ট আনন্দময় পরিবেশকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। একটি পূর্ণাঙ্গ 'বৃষ্টি' কবিতা আরও বিস্তৃত পরিসরে বৃষ্টির মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব, বিরহ, স্মৃতিচারণ, প্রেম, প্রকৃতি ও মানুষের গভীর সম্পর্ক, গ্রামীণ বা শহুরে জীবনে বৃষ্টির প্রভাব, এমনকি এর দ্বারা সৃষ্ট কোনো বিষাদময়তা বা গভীর দার্শনিক চিন্তাকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। উদ্দীপকে যে শুধুমাত্র প্রকৃতির আনন্দময় দিকটি প্রকট, তা সমগ্র কবিতার উপজীব্য হতে পারে না, কারণ কবিতার মূল উপজীব্য আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হয়ে থাকে।

সুতরাং, এই যুক্তির ভিত্তিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একটি খণ্ডাংশকে সুন্দরভাবে চিত্রিত করলেও, সম্পূর্ণ কবিতার ব্যাপকতা, এর অন্তর্নিহিত সকল ভাব ও তাৎপর্যকে ধারণ করে না। তাই, "উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একমাত্র উপজীব্য নয়" – এই মন্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক ও যৌক্তিক।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
799
উত্তরঃ

‘বৃষ্টি’ কবিতায় ঘোলাটে মেঘে ঢাকা আকাশের কথা বলা হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.2k
উত্তরঃ

প্রদত্ত উদ্দীপকের কবিতাংশে বর্ণিত বৃষ্টির জলে স্নাতা, কদম্ব শাখার নিচে থাকা যে মেয়েটি অস্ফুট কলিকায় রেণু খুলতে দেখছে এবং বর্ষার আনন্দে হেসে কুটি কুটি হচ্ছে, তাকেই 'বিদ্যুৎ রূপসী পরী' বলা হয়েছে। সে যেন বর্ষার ক্ষণস্থায়ী কিন্তু মনোমুগ্ধকর রূপ ও প্রাণচাঞ্চল্যের প্রতীক।

বৃষ্টিভেজা প্রকৃতির মাঝে এই মেয়েটির উপস্থিতি বিদ্যুতের মতো ক্ষণস্থায়ী হলেও তার রূপ ও চাঞ্চল্য পরীর মতোই মোহনীয়। বর্ষার আগমনে প্রকৃতিতে যে সতেজতা ও আনন্দ সৃষ্টি হয়, এবং যা ক্ষণিকের জন্য ঝলসে উঠেই আবার মিলিয়ে যায়, মেয়েটি সেই ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্য ও জীবনের আনন্দকে মূর্ত করে তোলে। তাই তাকে বিদ্যুৎ রূপসী পরী নামে অভিহিত করা হয়েছে, যা বর্ষার চকিত সৌন্দর্যের প্রতীক।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'বৃষ্টি' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো বৃষ্টির সতেজতা, আনন্দময় প্রভাব এবং প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক। বৃষ্টি শুধুমাত্র প্রকৃতিকে সজীব করে তোলে না, বরং মানব মনেও অনাবিল আনন্দ ও উদ্দীপনার সঞ্চার করে।

প্রদত্ত উদ্দীপকে বৃষ্টির স্নিগ্ধ ও আনন্দময় রূপটি চমৎকারভাবে চিত্রিত হয়েছে। এখানে "ঘোলাটে মেঘের আড়ে" সূর্য ঘুমিয়ে পড়ার চিত্রকল্প বৃষ্টির আগমনী বার্তা দেয় এবং "ছল ছল জলধারে" কেয়া-বন-পথে স্বপ্নের জাল বুনতে দেখা যায়, যা বৃষ্টির আগমনী সৌন্দর্যের ইঙ্গিত। বিশেষ করে, "বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয়, সে হাসি তাহার অধর নিঙাড়ি লুটাইছে বনময়" - এই চরণগুলির মধ্য দিয়ে বৃষ্টির জলধারায় সিক্ত হয়ে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে মানুষের, বিশেষত একটি মেয়ের, উচ্ছ্বল আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

বৃষ্টির পানিতে স্নান করে মেয়েটির অদম্য হাসি এবং সেই হাসির বনের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া প্রকৃতির সতেজতা ও জীবনচঞ্চলতারই প্রতিচ্ছবি। এই চিত্রকল্প বৃষ্টির যে রূপকে তুলে ধরে, তা হলো নির্মল আনন্দ, প্রকৃতির মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা এবং পরিবেশের সতেজতার সাথে নিজের মনকেও সজীব করে তোলার ক্ষমতা। এটি বৃষ্টির শুধু বাহ্যিক রূপ নয়, বরং এর অন্তর্নিহিত প্রভাব, যা প্রাণিজগত ও মানব মনে নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চার করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
778
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একটি বিশেষ দিক তুলে ধরলেও, এর সামগ্রিক বিষয়বস্তুকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে না। এই মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ একটি পূর্ণাঙ্গ কবিতা সাধারণত তার উপজীব্য বিষয়কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এবং একাধিক স্তরে বিশ্লেষণ করে, যা একটি ছোট অনুচ্ছেদ বা উদ্দীপকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করা সম্ভব নয়।

প্রদত্ত উদ্দীপকে বর্ষার সজীবতা ও প্রকৃতির সাথে মানবমনের একাত্মতার এক মনোরম চিত্র ফুটে উঠেছে। এখানে ঘোলাটে মেঘের আড়ালে রোদ ঘুমিয়ে পড়া, কেয়া-বন-পথে ছলছল জলধারার মধ্য দিয়ে স্বপন বোনা, কদম্ব শাখে নিরালায় ছোট ছোট রেণু আর অস্ফুট কলিকা দেখা এবং বাদলের জলে স্নান করে এক মেয়ের হাসিতে বনময় আনন্দ ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য বর্ণিত হয়েছে। এটি বৃষ্টির আগমনে প্রকৃতির সতেজতা, নির্জন আনন্দ এবং এক কিশোরীর প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত মুহূর্তকে উপস্থাপন করে।

তবে, উদ্দীপকের এই চিত্রটি 'বৃষ্টি' কবিতার শুধুমাত্র একটি বিশেষ দিক, যা মূলত বৃষ্টির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং এর প্রভাবে সৃষ্ট আনন্দময় পরিবেশকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। একটি পূর্ণাঙ্গ 'বৃষ্টি' কবিতা আরও বিস্তৃত পরিসরে বৃষ্টির মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব, বিরহ, স্মৃতিচারণ, প্রেম, প্রকৃতি ও মানুষের গভীর সম্পর্ক, গ্রামীণ বা শহুরে জীবনে বৃষ্টির প্রভাব, এমনকি এর দ্বারা সৃষ্ট কোনো বিষাদময়তা বা গভীর দার্শনিক চিন্তাকেও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। উদ্দীপকে যে শুধুমাত্র প্রকৃতির আনন্দময় দিকটি প্রকট, তা সমগ্র কবিতার উপজীব্য হতে পারে না, কারণ কবিতার মূল উপজীব্য আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হয়ে থাকে।

সুতরাং, এই যুক্তির ভিত্তিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একটি খণ্ডাংশকে সুন্দরভাবে চিত্রিত করলেও, সম্পূর্ণ কবিতার ব্যাপকতা, এর অন্তর্নিহিত সকল ভাব ও তাৎপর্যকে ধারণ করে না। তাই, "উদ্দীপকটি 'বৃষ্টি' কবিতার একমাত্র উপজীব্য নয়" – এই মন্তব্যটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক ও যৌক্তিক।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
524
113
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews