গ্রীষ্মকালের বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশ ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ হলেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে এদেশের ঋতুর খুব বেশি মিল নেই। তবে বৈচিত্র্যময় ঋতু আমাদের মনকেও বৈচিত্র্যময় করে তোলে।
উদ্দীপকে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ দুই মাস নিয়ে যে গ্রীষ্মকাল তা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালের প্রকৃতি, সম্পর্কেও বলা হয়েছে উদ্দীপকে। 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালের কথা বলেছেন। গ্রীষ্মকালে ইংল্যান্ডে কেমন ধরনের ফুল ফোটে তার বর্ণনা দিয়েছেন। তাই বলা যায়, গ্রীষ্মকালের বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্য রয়েছে।
Related Question
View Allরিজেন্ট পার্ক লেখকের বাসা থেকে মিনিট তিনেকের পথ।
ইংল্যান্ডের বসন্তকাল কিছুটা ভিন্ন ধরনের।
মার্চ মাস শেষ হতে না হতেই তরুলতায় পাতার মুকুল দেখতে পাওয়া যায়। যে গাছের দিকেই তখন তাকানো যায় না কেন, মনে হয় যতটুকু পাতা বের হওয়া সম্ভব, সেখানেই অঙ্কুর গজিয়েছে। আর তা দিনে দিনে বাড়তে থাকে। সন্ধ্যায় একরকম থাকে তো সকালে অন্যরকম। প্রকৃতির যেদিকেই তাকানো যায় না কেন, চারিদিকে কেবল সুন্দরের আগুন।
ভ্রমণে গিয়ে মুগ্ধ হওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির মিল রয়েছে।
ভ্রমণ মানুষের সামনে জ্ঞানের দরজা খুলে দেয়। ভ্রমণ মানুষকে পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকে মিয়ানমারের সৌন্দর্য উপলব্ধি করে আবেগে আপ্লুত হওয়ার দিকটি ব্যক্ত হয়েছে। 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে ইংল্যান্ডের ঋতুবৈচিত্র্য ও প্রকৃতি দেখে লেখক মুগ্ধ হয়েছেন। তাই বলা যায়, ভ্রমণে গিয়ে মুগ্ধ হওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির মিল রয়েছে।
মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির একটি বিশেষ অংশের ধারক- মন্তব্যটি যথার্থ।
মানুষ নিজেকে জানার জন্য অজানার উদ্দেশে পাড়ি জমায়। আর এভাবেই মানুষ নিজেকে একটু একটু করে গড়ে তোলে।
উদ্দীপকে মিয়ানমারের সীমান্ত শহরে গিয়ে সেখানকার সবকিছু দেখে লেখকের মুগ্ধ ও আবেগাপ্লুত হওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে মুগ্ধতা থাকলেও রয়েছে ইংল্যান্ডের ঋতুবৈচিত্র্য ও ফুলের সৌন্দর্যের বর্ণনা।
উদ্দীপকে শুধু মুগ্ধতা প্রকাশ পেলেও 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনীতে ইংল্যান্ডের প্রকৃতি ও ঋতুর বর্ণনার মধ্য দিয়ে সেই মুগ্ধতা ব্যক্ত হয়েছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
এপ্রিল মাসে রিজেন্ট পার্কে লাইলাক ফুল ফোটে।
মে মাসে যেসব ফুল ফোটে তার মধ্যে টিউলিপ অন্যতম।
'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে লৈখক নানা সময়ে নানান রকমের ফুলের বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে টিউলিপ, উইলো আর ডেইজি ফুল ফোটে। টিউলিপ দেখতে আমাদের দেশের ধুতুরা ফুলের মতো। তবে ধুতুরার চেয়ে আকারে ছোট। কিন্তু টিউলিপ বিভিন্ন রঙের হয়। যেমন, কোথাও দুধের মতো সাদা, কোথাও আবার রক্তের চেয়ে লাল। আবার কোথাও জাফরানি, হলুদ, কোথাও আবার প্রজাপতির গায়ের রেখাটানা বিচিত্র কারুচিত্রের মতো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
