এপ্রিল মাসে রিজেন্ট পার্কে কী ফুল ফোটে?

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

এপ্রিল মাসে রিজেন্ট পার্কে লাইলাক ফুল ফোটে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
206

বৃষ্টি-নেশাভরা লন্ডনের সন্ধ্যাবেলায় ছোট্ট ঘরটিতে বসে জানালার ফাঁক দিয়ে আকাশের দিকে চেয়ে আছি। যতদূর চোখ যায় শুধু দেখছি, লন্ডনের বাড়িঘরগুলোর চিমনি থেকে ধোঁয়া বেরুচ্ছে। ধোঁয়ায় আর মেঘেঢাকা লন্ডন পাথরের মতো বুকের ওপর চেপে বসেছে। মনে মনে ফিরে গেলাম আট হাজার মাইল দূরে, রাজশাহীর যে বাসাটায় আমার পরিজনেরা বাস করছে সেখানে। ওখানে হয়তো এরও চেয়ে ঘনকালো মেঘ করেছে। বাংলাদেশের আষাঢ়ের মেঘ- যেমন গম্ভীর তেমনি কালো। হয়তো নেমেছে ঘন বর্ষা। অবিরল ধারাবর্ষণের মধুর রোল গানের অনুরণনের মতো কেঁপে কেঁপে তাদের হয়তো নিদ্রাকাতর করে দিয়েছে।

মা, মাতৃভাষা আর মাতৃভূমির মতো আর কিছু কি এমন মিষ্টি আছে? সে জন্যই বাংলাদেশের কথা বলতে গিয়ে বাংলার কবি লিখেছেন-

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি

সকল দেশের রানি সে যে আমার জন্মভূমি।

গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- এ ছয় ঋতুর লীলা আমাদের দেশে। কিন্তু এখানে শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা ছাড়া শরৎ, হেমন্ত ও বসন্ত কখন আসে, কখন যায় তা চোখেই পড়ে না।

ইংল্যান্ডের বসন্তকাল কিন্তু ভিন্ন ধরনের। মার্চ মাস শেষ হতে-না-হতেই তরুলতায় পাতার মুকুল দেখতে পেলাম। আজ এ গাছে চাই তো দেখি, যেখানে যতটুকু পাতা বেরোনো সম্ভব তাতেই অঙ্কুর গজিয়ে উঠেছে। কাল যদি খেয়াল করি তো দেখি, আরও বেড়ে গেছে। সন্ধ্যায় একরকম দেখি তো সকালে অন্যরকম। আরও সুন্দর, আরও ভালো। প্রকৃতির যে দিকে চাই সেদিকেই দেখি, যেন সুন্দরের আগুন লেগে আছে।

ছোটো ছোটো গাছে পাতা নেই। শুধু ফল। অনাবিল সৌন্দর্যের এই খেলা দেখবার জন্য এখানকার পার্কগুলো। ডালপালার হাত-পা মেলে দেওয়া আমাদের মাথাসমান উঁচু ফুলের গাছ সারি সারি সাজানো। কতকগুলোতে শুধু সাদা ফুল। কতকগুলোতে লাল, নীল, হলদে, বেগুনি। ভারি ভালো লাগে তার নিচে গিয়ে দাঁড়াতে।

রিজেন্ট পার্ক আমার বাসা থেকে মিনিট তিনেকের পথ। প্রকৃতির সৌন্দর্যের দিক দিয়ে এটি লন্ডনের সেরা পার্ক। এ পার্কের গোলাপ-বাগানের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। বাগানটি রানি মেরির নামের সঙ্গে জড়ানো। জুন, জুলাই- এ দুমাস গোলাপফুলের। মেরির গোলাপ-বাগানের গোলাপেরা কেউ ফুটেছে-কেউবা ফুটে রৌদ্র-স্নানরত নরনারীর চোখ জুড়াচ্ছে, মন ভোলাচ্ছে। নানা রঙের এত গোলাপ একসঙ্গে পাশাপাশি ফুটতে দেখলে নিতান্ত বেরসিকের প্রাণও রসোচ্ছল হয়ে উঠবে তাতে বিচিত্র কী? রোদে ভরা ছুটির দিনগুলোতে রিজেন্ট পার্ক ও কিউ-গার্ডেনে এখানকার মালিদের হাতে-গড়া গোলাপবাগের জান্নাতি পরিবেশ দেখে মন জুড়িয়ে যাচ্ছে। অপরিমেয় ফুলের রঙে চোখে লাগছে নেশা আর ফুলেরই মনোরম স্নিগ্ধ গন্ধে বাতাস হয়েছে মোহকর।

বসন্ত ও গ্রীষ্মের এক এক মাসে এক এক রকম ফুল এখানকার বৈশিষ্ট্য। আবার একই ফুলের কত যে বৈচিত্র্য তা বলে শেষ করা যায় না। এপ্রিল মাসে দেখলাম লাইলাক ফুলে রিজেন্ট পার্ক ছেয়ে গেছে। বেগুনি আর আসমানি রঙের লাইলাক। ইংল্যান্ডের এত ফুলের মধ্যে শুধু লাইলাকেই গন্ধ পেলাম।

মে মাস ছিল টিউলিপ, উইলো আর ডেইজির। টিউলিপ আমাদের দেশের ধুতুরা ফুলের মতো। কেবল ফুলটুকু ছাড়া আর কিছুর সঙ্গে ওর সাদৃশ্য আঁকা যাবে না- পাতার সঙ্গে নয়, পাপড়ি বা দল কিছুরই সঙ্গে নয়। বাইরে কিছুটা সাদৃশ্য আছে, এতটুকু বলা যায়। আকারে টিউলিপ ধুতুরা ফুলের চেয়ে অনেক ছোটো। বলিহারি যাই টিউলিপের রং দেখে। কোনো জায়গায় দুধের চেয়েও সাদা। কোনো জায়গায় রক্তের চেয়ে লাল। কোনোটায় বেগুনি, কোনোটায় জাফরানি, কোনোটায় ধূপছায়া। কোনোটা দুধে-আলতা মাখানো। কোনোটা হলুদ।

কোনোটায় থাকে প্রজাপতির গায়ের রেখাটানা বিচিত্র রঙের কারুচিত্র। থাকের পর থাক। টিউলিপে টিউলিপময়। ইংরেজজাত ফুলের যে কী ভক্ত এবং ফুলের রঙে যে এদের কী আনন্দ এ থেকে এ কথাই বারবার মনে পড়ে।

মাটিতে যেদিকে চাইছি- দেখছি ঘাসেও ফুল। সবার পিছে, সবার নিচে, সবহারাদের মাঝে ঘাস এখানে ছোটো হয়ে নেই। সবার আনন্দের ভাগ সে-ও যাতে ভোগ করতে পারে তার জন্য তারও বুক ফুলে ভরে রয়েছে। এই ঘাসফুলের অণু-পরমাণুগুলোর নাম ডেইজি। আর মেয়েদের কানফুলের মতো যেগুলো সেগুলো ক্রোকাস। মিষ্টতায় ভরা ফুলগুলো।

এপ্রিল, মে ও জুন এই তিন মাসে ইংল্যান্ডের সৌন্দর্য চোখ ভরে দেখেছি। এপ্রিলে এর সূচনা আর সেপ্টেম্বরে পরিণতি। জুন-জুলাই-আগস্ট এখানকার গরমকাল। কিন্তু মে মাস থেকে ইংল্যান্ডের প্রকৃতিতে এ কী শুরু হলো! আমাদের সবুজ এদেশের সবুজের কাছে ফিকে হয়ে যায়। আমাদের ধানখেতের ওপর দিয়ে বাতাস যখন ঢেউ খেলে যায়, তখন হাল্কা মনোহর সবুজের কম্পন মাঠের প্রত্যন্ত প্রদেশে পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে দেখি। তাতে মন ভরে। চোখ জুড়ায়। এদের ধানখেত নেই, কেননা ভাত এদের খাবার নয়। পার্কে সবুজ আর নীল দৃশ্য দেখে লোভ হলো এদের গ্রাম আর মাঠের শোভা দেখতে।

কোচে চড়ে সেদিন ক্যামব্রিজ বেড়িয়ে এলাম। আমাদের দেশের গ্রামছাড়া ওই রাঙামাটির পথ আমাদের মন ভুলায়, কিন্তু এদেশের মাঠের মাঝখান দিয়ে পিচঢালা পথের বুকের ওপর দিয়ে বাদশাহি কোচগাড়ি যখন ছুটে চলে, তখন দুপাশের গাছপালার সবুজ ফুলের অনন্ত বৈচিত্র্য আর লতাপাতার ঘন নীলিমা চোখের ওপর মধু-মায়া অঞ্জন লাগিয়ে দিয়ে যায়। দিগন্ত-বিস্তৃত মাঠ। খাড়া-উঁচু, সোজা-নিচু বা একটানা সমতল নয়। তাতে কোথাও বাজরার খেত। কোথাও সরিষার ফুলের মতো সারা মাঠ ছড়ানো ফিকে আর গাঢ় হলুদের বিছানা পাতা। তার পাশে গোচারণভূমি। তার নিচে বহু বিচিত্র শস্যখেত। অপরূপ শ্যামলে-সবুজে, বেগুনে-হলুদে, নীলে-লালে আর বিচিত্র আভায় প্রভায় গায়ে গায়ে লেগে থেকে সৌন্দর্যের সে কী প্লাবন বইয়ে দিচ্ছে। প্রকৃতির এত রূপ, এত নিটোল স্বাস্থ্য, মে-জুনের ইংল্যান্ড না-দেখলে কখনও কি তা বিশ্বাস করা যায়?

সে যা হোক। সূর্যের স্নিগ্ধ রোদে কদিন থেকে সারা ইংল্যান্ড বিধৌত হচ্ছে। এ মাসটা ধরেই দেখছি প্রতি শনি-রবিবারে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ির কর্তা-গিন্নি থেকে আরম্ভ করে ছোটো কচি বাচ্চারা পর্যন্ত পার্কে এসে রোদ পোহাচ্ছে। রোদ স্বাস্থ্যের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। সূর্য যখন এতকালের কৃপণতার পর মাসখানেক ধরে অকৃপণভাবে আলো দিতে লেগেছে তখন তার কিরণ তো মন প্রাণ-ভরে পান করা চাই।

প্রকৃতিতে যখন এমন সৌন্দর্যের সমারোহ, বিচিত্র রঙে যখন সারা ইংল্যান্ড রাঙা হয়ে উঠল, সবুজে-নীলে মিতালি-পাতানো যখন স্বদেশিদের তো বটেই, আমাদের মতো বিদেশিদের মনেও এদেশকে ভালোবাসার নেশা জাগাল। তাই বুঝি ইংল্যান্ডে এত পার্ক। এত ফুল। এত বিশ্রামকুঞ্জ। আর গ্রীষ্মকালকে কেন্দ্র করে জীবনের এত আয়োজন। ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালের খ্যাতি দুনিয়াজোড়া। শীতের মতো শুষ্ক বলে নয়, স্নিগ্ধ রোদে-ভরা মধুর বলে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইংল্যান্ডের বসন্তকাল কিছুটা ভিন্ন ধরনের।

মার্চ মাস শেষ হতে না হতেই তরুলতায় পাতার মুকুল দেখতে পাওয়া যায়। যে গাছের দিকেই তখন তাকানো যায় না কেন, মনে হয় যতটুকু পাতা বের হওয়া সম্ভব, সেখানেই অঙ্কুর গজিয়েছে। আর তা দিনে দিনে বাড়তে থাকে। সন্ধ্যায় একরকম থাকে তো সকালে অন্যরকম। প্রকৃতির যেদিকেই তাকানো যায় না কেন, চারিদিকে কেবল সুন্দরের আগুন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
245
উত্তরঃ

ভ্রমণে গিয়ে মুগ্ধ হওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির মিল রয়েছে।

ভ্রমণ মানুষের সামনে জ্ঞানের দরজা খুলে দেয়। ভ্রমণ মানুষকে পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে।

উদ্দীপকে মিয়ানমারের সৌন্দর্য উপলব্ধি করে আবেগে আপ্লুত হওয়ার দিকটি ব্যক্ত হয়েছে। 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে ইংল্যান্ডের ঋতুবৈচিত্র্য ও প্রকৃতি দেখে লেখক মুগ্ধ হয়েছেন। তাই বলা যায়, ভ্রমণে গিয়ে মুগ্ধ হওয়ার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির মিল রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
100
উত্তরঃ

মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির একটি বিশেষ অংশের ধারক- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষ নিজেকে জানার জন্য অজানার উদ্দেশে পাড়ি জমায়। আর এভাবেই মানুষ নিজেকে একটু একটু করে গড়ে তোলে।

উদ্দীপকে মিয়ানমারের সীমান্ত শহরে গিয়ে সেখানকার সবকিছু দেখে লেখকের মুগ্ধ ও আবেগাপ্লুত হওয়ার দিকটি ফুটে উঠেছে। 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে মুগ্ধতা থাকলেও রয়েছে ইংল্যান্ডের ঋতুবৈচিত্র্য ও ফুলের সৌন্দর্যের বর্ণনা।

উদ্দীপকে শুধু মুগ্ধতা প্রকাশ পেলেও 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনীতে ইংল্যান্ডের প্রকৃতি ও ঋতুর বর্ণনার মধ্য দিয়ে সেই মুগ্ধতা ব্যক্ত হয়েছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
73
উত্তরঃ

মে মাসে যেসব ফুল ফোটে তার মধ্যে টিউলিপ অন্যতম।

'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে লৈখক নানা সময়ে নানান রকমের ফুলের বর্ণনা দিয়েছেন। সেখানে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে টিউলিপ, উইলো আর ডেইজি ফুল ফোটে। টিউলিপ দেখতে আমাদের দেশের ধুতুরা ফুলের মতো। তবে ধুতুরার চেয়ে আকারে ছোট। কিন্তু টিউলিপ বিভিন্ন রঙের হয়। যেমন, কোথাও দুধের মতো সাদা, কোথাও আবার রক্তের চেয়ে লাল। আবার কোথাও জাফরানি, হলুদ, কোথাও আবার প্রজাপতির গায়ের রেখাটানা বিচিত্র কারুচিত্রের মতো।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
130
উত্তরঃ

গ্রীষ্মকালের বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্য রয়েছে।

বাংলাদেশ ঋতুবৈচিত্র্যের দেশ হলেও অন্যান্য দেশের সঙ্গে এদেশের ঋতুর খুব বেশি মিল নেই। তবে বৈচিত্র্যময় ঋতু আমাদের মনকেও বৈচিত্র্যময় করে তোলে।

উদ্দীপকে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ দুই মাস নিয়ে যে গ্রীষ্মকাল তা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালের প্রকৃতি, সম্পর্কেও বলা হয়েছে উদ্দীপকে। 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালের কথা বলেছেন। গ্রীষ্মকালে ইংল্যান্ডে কেমন ধরনের ফুল ফোটে তার বর্ণনা দিয়েছেন। তাই বলা যায়, গ্রীষ্মকালের বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাতের প্রকৃতি' ভ্রমণকাহিনির সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
71
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews