উদ্দীপকের সঙ্গে 'নিমগাছ' গল্পের সাদৃশ্য হলো সংসারে গৃহবধূর অবদান ও অবস্থানের বর্ণনায়।
এই পৃথিবী নারী-পুরুষের সম্মিলিত শ্রমে ও অবদানে টিকে রয়েছে। অথচ আমাদের সমাজ নারীর এই অবদান স্বীকার করে না। তাদের অবহেলা করে দূরে সরিয়ে রাখে।
উদ্দীপকে ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা জরিনার সংসারে নিঃস্বার্থ অবদানের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে হওয়ার পর থেকে সে সংসারের বেড়াজালে বন্দি হয়ে আছে। শত অবজ্ঞা ও অবহেলায়ও স্বামী-সন্তানদের সে ত্যাগ করতে পারেনি। অথচ অসুস্থতার কারণে আজ সবাই তাকে সংসারের বোঝা মনে করে। 'নিমগাছ' গল্পে লেখক নিমগাছের বিভিন্ন উপকারী দিক বর্ণনার মধ্য দিয়ে একজন গৃহবধূর নিঃস্বার্থ অবদানের দিকটি তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে পরিবারের কঠিন দায়িত্ব পালন করার পরও গৃহলক্ষ্মী বউটির প্রতি সবার অবহেলা ও অবজ্ঞার বিষয়টিও গল্পে উঠে এসেছে। উদ্দীপকের সঙ্গে নিমগাছ গল্পের সাদৃশ্য হলো সংসারে গৃহবধূর অবদান ও অবস্থানের বর্ণনায়।
Related Question
View Allনিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কবিরাজরা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!