নিমের কচি পাতাগুলো অনেকে খায় কারণ তা যকৃতের পক্ষে ভারি উপকারী।
ঔষধি গুণের কারণে কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
নিমগাছ ঔষধি গাছ। নিমপাতা চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ। খোস-পাঁচড়া, দাদ, হাজা, চুলকানিতে নিমপাতা ও নিমগাছের ছাল অত্যন্ত উপকারী। নিমের কচিপাতা যকৃতের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিমের কচি ডাল চিবালে দাঁত ভালো থাকে। আর এসব ঔষধি গুণের কারণে কবিরাজরা নিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
উদ্দীপকের সঙ্গে 'নিমগাছ' গল্পের সাদৃশ্য হলো সংসারে গৃহবধূর অবদান ও অবস্থানের বর্ণনায়।
এই পৃথিবী নারী-পুরুষের সম্মিলিত শ্রমে ও অবদানে টিকে রয়েছে। অথচ আমাদের সমাজ নারীর এই অবদান স্বীকার করে না। তাদের অবহেলা করে দূরে সরিয়ে রাখে।
উদ্দীপকে ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা জরিনার সংসারে নিঃস্বার্থ অবদানের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে হওয়ার পর থেকে সে সংসারের বেড়াজালে বন্দি হয়ে আছে। শত অবজ্ঞা ও অবহেলায়ও স্বামী-সন্তানদের সে ত্যাগ করতে পারেনি। অথচ অসুস্থতার কারণে আজ সবাই তাকে সংসারের বোঝা মনে করে। 'নিমগাছ' গল্পে লেখক নিমগাছের বিভিন্ন উপকারী দিক বর্ণনার মধ্য দিয়ে একজন গৃহবধূর নিঃস্বার্থ অবদানের দিকটি তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে পরিবারের কঠিন দায়িত্ব পালন করার পরও গৃহলক্ষ্মী বউটির প্রতি সবার অবহেলা ও অবজ্ঞার বিষয়টিও গল্পে উঠে এসেছে। উদ্দীপকের সঙ্গে নিমগাছ গল্পের সাদৃশ্য হলো সংসারে গৃহবধূর অবদান ও অবস্থানের বর্ণনায়।
না উদ্দীপকটি 'নিমগাছ' গল্পের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করে না।
সমাজে নানা রকম মানুষ বাস করে। তাদের মধ্যে এমন মানুষও আছেন যারা নিজেদের স্বার্থের কথা চিন্তা না করে পরের হিতের জন্য কাজ করেন। আবার অন্যের জন্য অনেক কিছু করার পরও তারা অবহেলিত থাকেন। তারা সমাজে উপেক্ষিত হন। আমাদের সংসারের গৃহবধূরা এমনই উপেক্ষিত মানুষ।
'নিমগাছ' গল্পে লেখক নিমগাছের প্রতীকে গৃহকর্ম-নিপুণা এক লক্ষ্মীবউয়ের জীবন-যন্ত্রণাকে নির্দেশ করেছেন। সংসারে সবার অবহেলায় গৃহবধূর জীবনের সব সৌন্দর্য হারিয়ে গেছে। সেই সংসারে তার গণ্ডিবদ্ধ জীবন উপেক্ষিত, অথচ তাকে ছাড়া সংসারের অন্যরা অচল। একদিন এক কবি সেই নিমগাছের সৌন্দর্য আবিষ্কার করে, সংসারের সঙ্গে তার শেকড় এমনভাবে জড়িয়ে গেছে যে, কবির ডাকে সাড়া দেওয়ার উপায় নেই। অনুরূপভাবে উদ্দীপকের গৃহবধূও ১৯ বছর বয়স থেকে সংসারের প্রয়োজনে নিয়োজিত ছিল। তার বিনিময়ে শেষ বয়সে সে চরম অবহেলার শিকার। শেষ জীবনে এসে অসুস্থতার জন্য সে সবার কাছে বোঝা হয়ে গেছে।
'নিমগাছ' গল্পে এক গৃহবধূর সংসারে অবদানের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। সেই সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে অবহেলিত হওয়ার দিকটি। 'নিমগাছ' গল্পে একজন কবি নিমগাছের সাধারণ উপকারী দিকের বাইরে গিয়ে তার সৌন্দর্য আবিষ্কার করেছেন। উদ্দীপকের জরিনার ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেনি। সে আজীবন সংসারে সবার দ্বারা উপেক্ষিত হয়েছে। সংসারের মায়ায় সে সংসার ছেড়ে যেতেও পারেনি। অথচ আজ তাকে সবাই বোঝা মনে করে। এখানে তার সৌন্দর্য ও তা প্রকাশের কোনো বিষয় ফুটে ওঠেনি। এসব দিক বিচারে বলা যায়, মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'নিমগাছ' গল্পের সমগ্র ভাব ধারণ করে না।
Related Question
View Allনিমগাছের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কবিরাজরা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!