জাউদ্দীপকের সাদিকুর রহমানের কাজের মাধ্যমে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জিত হচ্ছে।
বিশ্বের সার্বিক ও সর্বজনীন উন্নয়নের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' ঘোষণা করেছে। এর লক্ষ্যমাত্রা হলো ১৭টি, যার মধ্যে অন্যতম হলো দারিদ্র্য বিলোপ করা, ক্ষুধামুক্তি, নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা, শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা প্রভৃতি। উদ্দীপকের সাদিকুর রহমান কাজের মাধ্যমে এ লক্ষ্যগুলোই অর্জিত হচ্ছে।
উদ্দীপকের সাদিকুর রহমান একটি এনজিও-এর অধীনে একটি প্রত্যন্ত এলাকায় কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করছেন। এর ফলে সেই এলাকার দরিদ্রদের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূর হচ্ছে। তিনি ঐ এলাকায় নলকূপ স্থাপন করায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা হয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি সেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। উদ্দীপকে অর্জিত হওয়া এই বিষয়গুলো জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর অন্যতম লক্ষ্য। তাই বলা যায়, সাদিকুর রহমানের কাজের মাধ্যমে W টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জিত হচ্ছে
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!